চন্দ্রাবতী ( পর্ব ০৮ )

চন্দ্রাবতী ( পর্ব ০৮ )
চন্দ্রাবতী ( পর্ব ০৮ )

চন্দ্রাবতী ( পর্ব ০৮ )
মিশিতা চৌধুরী


"এই মহারানীটা কে?"

"সব বলবো আগে বল তোর গোয়েন্দা বান্ধবীটা কোথায় থাকে?"

"কোন বান্ধবী?আমার কোনো বান্ধবী তো গোয়েন্দা নয়।"

"আরে  মুন্নির থেকে যে আমায় বাঁচার সলিউশন দিয়েছে সে বান্ধবী।"

"ওহ আচ্ছা চন্দ্রার কথা বলছো। মোটেই ও গোয়েন্দা নয়। নেহাত বলেছিলাম আমার কাজিন বিপদে পড়েছে তাই ও হেল্প করেছে।"

"সেদিনের চেয়ে আজকে আরো বেশি বিপদ।প্লীজ বোন আমায় এই বিপদের হাত থেকে রক্ষা কর। তুই কি চাস তোর এই মাসুম আলা ভোলা ভাইটা কুরবানীর হাটে বিক্রি হয়ে যাক!!"

"ভাইয়া চন্দ্রা এখন সে অবস্থায় নেই।"

নীল কান্নার ভান করে বলে,"তুই আমার বোন হয়ে এমন দূর সম্পর্কের শত্রুর মতো কথা বলবি।"

"ঠিক আছে তুমি আমায় সবটা বলো আমি চন্দ্রাকে বলে দেখবো।যদি কোনো হেল্প করতে পারে।"

"আচ্ছা আমি বলছি"

"এক মিনিট আমি রেকডিংটা চালু করি। হুম এবার শুরু করো।"


নীল বলতে লাগলো, সেদিন ছিল বসন্তের শেষ দিন।সকাল থেকে মনটা ঘুরতে যাওয়ার জন্য আঁকুপাঁকু করছিল। হঠাৎই মনে হল আমি অনেক দিন দূরে কোথাও ঘুরতে যাই নি। ভাবলাম আজ গেলে কেমন হয়। রেডি হয়ে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম কোনো গন্তব্য ছাড়া। কিছুদূর যাওয়ার পর গাড়িটা একটা নদীর পাশে গাড়ি থামালাম।গাড়ি থেকে নেমে নদীর পাড়ে গেলাম।অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গা দেখলেই মন প্রাণ প্রশান্তিতে ভরে ওঠে‌। সেখানে বেশ কিছু সময় কাটিয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার চোখের সামনে দিয়ে সবুজ রঙা শাড়ি পড়া একটা মেয়ে চলে গেল।সাথে আরো ২/৩ জন ছিল। মেয়েটা নদীর পাড়ে গিয়ে তার রেশমি ঘন কালো চুল গুলো ছেড়ে ঘাসের উপর বসে পড়লো। হাতের চুড়ি থেকে পায়ের নূপুর সব ম্যাচিং। মনে হলো এই সবুজ রঙটা তার জন্য তৈরি।এতোটা স্নিগ্ধ সরল চাহনি আমি আগে কখনো দেখিনি। ঠোঁট বাঁকিয়ে কথা বলা মাঝে মাঝে খিলখিল করে হাসা। সবকিছু মিলিয়ে এক অপূর্ব দৃশ্য। আমি আনমনে তাকে নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম। একটা লোকের চিৎকারে আমার ধ্যান ভাঙ্গে। আশে পাশে তাকিয়ে দেখি মেয়েটা নেই।আমি ওকে খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু কোথাও পেলাম না। পরের দিন সকালে ঠিক সে জায়গায় গেলাম কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারলো না।আজ ছয়টা বছর আমি তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছি। কয়েকদিন আগে আমার মহারানীর সাথে দেখা কিন্তু তার সাথে কথা বলার আগেই সে চলে গেল।জীবনটা কি অদ্ভুত যাকে এতো করে চাই সে আমাকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়ায়।অনু প্লিজ তুই কিছু কর। আমি মহারানীকে অনেক ভালোবাসি।এই ছয়টা বছর তাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্ন সাজিয়েছি। মনের ভেতরের একটু একটু করে তার জন্য ভালোবাসা জমিয়েছি। আমার পক্ষে তাকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা সম্ভব না।"


"কঠিন প্রেম! এত্তোগুলো বছর অপেক্ষা করছো।আচ্ছা যদি ওর বিয়ে হয়ে যায় তখন কি করবে?ছয়টা বছর কিন্তু কম সময় নয় ভাইয়া।"

"যদি ওর বিয়ে যায় তবে সারাজীবন তার স্মৃতি আঁকড়ে থাকবো। কিন্তু আমার বিশ্বাস আমি আমার মহারানীকে ঠিক খুঁজে পাবো।"

"আমিও তাই চাই।তোমার এতো কঠোর সাধনা যেন বিফলে না যায়।আমি চন্দ্রার সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো।তবে ওর মানসিক অবস্থা ভালো না‌। কতটা কি করতে পারবে কে জানে।"

"কেন কি হয়েছে।সে অনেক কাহিনী। পরে একদিন বলবো‌।"

"আচ্ছা দেখ উনি যদি টাকা-পয়সা চায় আমি দেবো কিন্তু আমার মহারানীর খোঁজ চাই।"

"ঠিক আছে ভাইয়া আমি কথা বলবো।"


পাঁচদিন পর চন্দ্রার নামে দুইটা চিঠি আসলো। একটা ডির্ভোসের আরেকটা চাকরিতে যোগদান। চন্দ্রা চিঠি দুটো খুলে হতভম্ব হয়ে বসে রইলাম।খুশি হবে নাকি কান্না করবে বুঝে উঠতে পারছে না।


"নিজের মনকে শক্ত করতে হবে।আজ থেকে আমার নতুন কাজ শুরু। পুরনো সব ভুলে শুধু কাজ নিয়ে ভাবতে হবে।যে সম্পর্কটা মন থেকে ভেঙ্গে গেছে সেটা না হয় এবার কাগজে কলমে ভেঙে যাক।তাতেই সব পিছুটান কেটে যাবে।"


চন্দ্রার মা এসে বলল,"কি রে এমন গুম মেরে বসে আছিস কেন?"

"আম্মু  অভি ডির্ভোস পেপার পাঠিয়েছে।"

"মন খারাপ করিস না মা।"

"মন খারাপ করি নি। আরেকটা খবর আছে।"

"কি খবর?"

"স্কুলের চাকরিটা হয়ে গেছে।কালকে জয়েন করতে হবে।"

"আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর কাছে হাজার হাজার শুকরিয়া।দেখলি তো আল্লাহ কাউকে খালি হাতে ফেরায় না।"


পরের দিন সকালে চন্দ্রা স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হলো।


"চন্দ্রা"

"ভাবী তুমি!"

"তুমি আয়াতকে একটু ওর স্কুলে পৌঁছে দিতে পারবে। আসলে আমার একটু কেনাকাটা করতে যেতে হবে।"

"পারবো ভাবী।"

"আমি আজ ফুফিমনির সাথে যাবো।কি মজা কি মজা।"

"হ্যা তো আয়াত সোনা।চলো তবে।"


চন্দ্রা আয়াতকে নিয়ে স্কুলে পৌঁছে গেছে। আয়াতকে দেখে আরশি দৌড়ে আসছিল।এমন সময় একটা পাথরের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে গেল।হাত পা কিছুটা ছিলে গেছে। চন্দ্রা দৌড়ে এসে আরশিকে কোলে নিলো।


"কাঁদে না সোনা। তোমার তো কিছু হয় নি। তুমি তো ব্রেভ গার্ল। আয়াত ও কি তোমার ফ্রেন্ড?

"হ্যাঁ তোমায় আরশির কথা বলেছিলাম না। ও তো আরশি।"


আরশিকে কোলে নিয়ে পাশের ক্লিনিকে গেল।ডাক্তার ওর কেটে যাওয়া জায়গাগুলো পরিষ্কার করে ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দিলো।

ডাক্তার বলল,"আপনি একটু খেয়াল রাখবেন।বাচ্চা তো। রক্ত দেখলে ভয় পায়।আর ওর এখন রেস্ট দরকার। ছোটাছুটি করতে দেবেন না।"


"ঠিক আছে।"


ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে একটা কল করলো প্রিন্সিপাল ম্যামকে।

"হ্যালো ম্যাম।আমি একটা কাজে আটকে গেছি।আমি যদি ঘন্টা খানেক পর পৌছাই কোনো অসুবিধা হবে?"


ওপাশ থেকে অনুমতি পেয়ে চন্দ্রা স্বস্তি বোধ করলো।


"আয়াত আরশি তোমরা কিছু খাবে?"

আয়াত বলল,"ফুফিমনি আইসক্রিম খাবো"

"আরশি সোনা তুমি কি খাবে?

"আমিও আইসক্রিম খাবো"

"ওকে চলো আমরা তিনজন মিলে আইসক্রিম খেতে খেতে বাড়ি যাবো।"

আয়াত বলল,

"ফুফিমনি আরু একা কিভাবে বাড়ি যাবে। ওকে তো আন্টি  রোজ গাড়ি করে নিয়ে আসে‌।"

"হুম তাইতো। আচ্ছা আইসক্রিম খেতে খেতে আইডিয়া বের করবো‌।"


আইসক্রিম এনে ওদের হাতে দিলাম।ওরা খেতে লাগল।আমি ভাবতে লাগলাম কিভাবে ওকে পৌঁছে দেওয়া যায়।স্কুল ছুটি হওয়া অবধি বসে থাকা ঠিক হবে না।চট করে একটা আইডিয়া আসলো।আচ্ছা ডায়েরিতে তো নাম ঠিকানা সব থাকে।আরশি তোমার ডায়েরিটা দাও তো।ডায়েরি দেখে ঠিকানাটা জেনে নিলাম‌। ঠিকানা অনুযায়ী চলে আসলাম আরশির বাসার সামনে। বাসা বললে ভুল হবে যেন একটা রাজপ্রাসাদ।আমি আরশিকে বললাম,"যাও আরশি তুমি ভেতরে যাও‌।"


কান্না কান্না মুখ করে বলল,"ফুফিমনি তুমিও এসো না মাম্মা বকা দিবে।"


"না সোনা বকবে না। তুমি যাও!"

"একি আরু সোনা। তোমার হাতে পায়ের এই অবস্থা কেন?কি হয়েছে?"

আরশি ঠোঁট ফুলিয়ে বলে,"পড়ে গেছি"

"ওমা সে কি। নীলাশা এই নীলাশা দেখ আরুর কি অবস্থা হয়েছে।"

"কি হয়েছে মম?এতো ডাকাডাকি করছো কেন?আরুকে স্কুলে দিয়ে এসেছি। এখানে কিভাবে আসবে!"

"স্কুলে দিয়ে এসেছো! তাহলে আমার নাতনির এই অবস্থা হয় কি করে।" ইরএসপন্সইবল কতগুলো। মেয়েটার দিকে খেয়াল রাখবে তা না সারাদিন সে বিজি। এক্ষুনি ডাক্তারকে কল দাও।নানুমনি তুমি ঠিক আছো তো?


চন্দ্রা বলে উঠলো,"আপনারা এতো টেনশন করবেন না।আমি ওকে ডাক্তার দেখিয়েছি। আসলে ও দৌড়াতে গিয়ে পড়ে গেছে।ডাক্তার বলেছেন ভয়ের কিছু নেই। একটু রেস্ট নিলেই ঠিক হয়ে যাবে।"


"আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না"

"আমি চন্দ্রা আয়াতের ফুফি।"


অল্প বয়সে মেয়েটা এগিয়ে এসে বলল,"আমি নীলাশা আরশির মা। আর উনি আমার মা। তোমায় অনেক ধন্যবাদ। তুমি না থাকলে...

মিসেস সাবিনা বলল,"কি করে যে তোমায় ধন্যবাদ জানাবো তার ভাষা আমার নেই‌।এসো মা ভেতরে এসো।"


"না আন্টি আসলে আমার জরুরি কাজ আছে আমায় এক্ষুনি যেতে হবে।"

"ঠিক আছে তবে তোমার ফোন নাম্বারটা দিয়ে যাও। তোমার মতো মিষ্টি একটা মেয়েকে যেতে দিতে ইচ্ছে করছে না।"


নীলাশা বলল,"আমাদের বাসায় এসো কিন্তু।আয়াতের আম্মুর সাথে। আঁখি তো মাঝে মাঝে আসে।"


"আচ্ছা আসবো।"


চন্দ্রা চলে যেতেই মিসেস সাবিনা নীলাশাকে বলল,"দেখেছিস কত মিষ্টি একটা মেয়ে।অমায়িক ব্যবহার।এই মেয়েটাকে যদি আমার ছেলের বৌ করতে পারতাম।এমন পরোপকারী মেয়ে আজকাল দেখাই যায় না।"


"মম চন্দ্রার বিয়ে হয়েছিল কিন্তু এখন ডির্ভোস হয়ে যাবে!"

"কি যা তা বলছিস!এতো লক্ষ্মী একটা 

মেয়ে ।বয়স ই বা কতো!"


"আয়াতের আম্মু সব বলেছে আমায়।তবে ডির্ভোসের ব্যাপারে ওর কোনো হাত নেই।"

"তাহলে??"


নীলাশা তার মমকে সবটা খুলে বললো।সব শুনে মিসেস সাবিনা বলল,"মেয়েটার ভাগ্য দেখ।এতো সুন্দর একটা মেয়ে।সেও ঠকেছে‌। আমার ছেলে যদি মহারানী মহারানী বলে পাগলামি না করতো এই মেয়ের সাথে আমার নীলের বিয়ে দিতাম।"


নীল অনুকে কল করতে লাগলো।"বান্দরের বৌ টা কলটা ধরছে না"

অনেকক্ষন কল করার পর অনু কল রিসিভ করলো।


"কি রে শয়তানের নানি তোরে কতবার কল করলাম কোথায় ছিলি?

"মিটিং এ ছিলাম নীল ভাইয়া।"

"ওহ আচ্ছা। আমার মহারানীর খোঁজ পেলি?"

"না পাই নি আমি এখন একটা প্রজেক্টের কাজে ময়মনসিংহে এসেছি। পনের দিন থাকতে হবে এখানে চন্দ্রার সাথে কথা হয় নি।গিয়ে তারপর আলোচনা করবো‌।


অনুর কথা শুনে নীলের মনটা খারাপ হয়ে গেল। মনের মধ্যে হাজারো খারাপ চিন্তা হানা দিতে লাগলো।


এদিকে অভির বাবা উকিলের কাছে গিয়ে পরামর্শ করতে লাগলো কিভাবে অভির নামে লিখে দেওয়া সম্পত্তি ফেরত নেওয়া যায়। উকিল বলল--


"দেখুন রহমান সাহেব একজনের নামে লিখে দেওয়া সম্পত্তি আপনি ফিরিয়ে নিতে পারেন তবে সেটা দানপত্রের মাধ্যমে।সেই দানপত্রে যার নামে আগে সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন তার স্বাক্ষর লাগবে।"

"ওটা সমস্যা না। আপনি শুধু বলুন কাজটা করতে পারবেন কি না।"

"হ্যাঁ পারবো। স্বাক্ষরটা আপনাকে জোগাড় করতে হবে।আর কাজটা করতে বেশ কিছুদিন লাগবে।

"ঠিক আছে আপনি কাগজ পত্র তৈরি করুন।"


বিকেলে চন্দ্রা বাসায় ফিরলো। অনেক দিন পর সবার সাথে অনেক মজা করেছে। রুমে ঢুকে টেবিলের উপর রাখা ডির্ভোস পেপার টা দেখে তাচ্ছিল্য ভাবে হাসলো।ব্যাগ থেকে কলম বের করে স্বাক্ষর করে দিলো।আজ থেকে সে মুক্ত। বারান্দায় গিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলো। ফোনের শব্দে শুনে রুমে এসে দেখে একটা আননোন নাম্বার থেকে কল।কলটা রিসিভ করতেই--


"আমি আরশি নানুমনি বলেছিলাম।"

"জি আন্টি কেমন আছেন?আরশি কেমন আছে?"

"হুম ভালো আছি আমরা।শোনো চন্দ্রা মা আগামীকাল আরশির জন্মদিন। তোমায় কিন্তু আসতেই হবে। আঁখিকে বলেছি তোমাদের সবাইকে নিয়ে আসার জন্য কিন্তু তোমার স্পেশাল ভাবে ইনভাইট করছি।"


"আন্টি...

"আমি কিন্তু না শুনবো না। তোমায় আসতেই হবে।"

"ঠিক আছে আমি আসবো।"


পরের সকালে একটা লোক এসে ডির্ভোস পেপার টা নিয়ে গেল। চন্দ্রা স্কুলে গিয়ে প্রিন্সিপাল ম্যামকে বলে ছুটি নিলো।যদিও অনুষ্ঠানে যাওয়ার মতো মানসিকতা নেই কিন্তু গুরুজনের আদেশ অমান্য করার সাহস ও নেই।আরশির জন্য একটা গিফট কিনে বাড়ি আসলো। সন্ধ্যায় সবাই রেডি হয়ে আরশিদের বাসায় গেল। চন্দ্রাকে দেখে আরশি দৌড়ে আসলো।


"ফুফিমনি তোমায় খুব সুন্দর লাগছে। প্রিন্সেসের আম্মুর মতো সুন্দর।"


আরশি কথা শুনে সবাই হেসে উঠল। মিসেস সাবিনা এসে বলল, অনেক ভালো লাগছে তুমি এসেছো বলে। আমার কথা রাখার জন্য ধন্যবাদ মা।"


চন্দ্রা ওনার পা ধরে সালাম করলো। ধন্যবাদ দিচ্ছেন কেন আমি তো আপনার মেয়ের মতোই।"


"তোমার মা আসে নি?"

"না,মা একটু অসুস্থ তাই আসতে পারে নি।"

"ওহ আচ্ছা তোমরা কথা বলো।আমি আসছি এক্ষুনি।"


চন্দ্রা সবার সাথে গল্প করতে লাগল।মিসেস সাবিনা নীলাশাকে ডেকে বলল,"কি রে নীল এখনো আসেনি।আর কতক্ষন লাগবে?"


"এই তো মম তোমার ছেলে হাজির।"

"এত দেরী হলো কেন আব্বা?সবাই ওয়েট করছে। তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নতুন জামা পরে আয়!"

"পাঁচ মিনিটে আসছি।"


একটু পর নীল এসে বলল....



(আজকের পর্বটা একটু ছোট হয়ে গেছে।নেক্সট পার্ট বড় করে দেওয়া হবে।তারা  গল্পটা পড়ছেন তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও ভালোবাসা ❤️❤️❤️)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।