ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৫) শেষ পর্ব - নাঈম চৌধুরি

পুনরুজ্জীবন – ডান্নি প্লাচটা
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৫) শেষ পর্ব  - নাঈম চৌধুরি
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৫) শেষ পর্ব  - নাঈম চৌধুরি


গল্পঃ ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য
লেখকঃ Nayeem Chowdhury
প্রকাশকালঃ ২০২২
অনলাইন প্রকাশিত
পর্বঃ ০৫ (শেষ পর্ব)


৪র্থ পর্বের পর থেকেঃ
চলুন শুনে আসি সেদিন কি হয়েছিল মিষ্টি । তারআগে শুনি নাইম আর মিষ্টির সম্পর্ক । নাইম মিষ্টি কে ভালোবাসতো অনেক মিষ্টি সেটা জানতো না যখন নাইম প্রতিদিনই মিষ্টির পিছনে যেতো তখন মিষ্টি একটু বুঝতে পেরেছিল কিন্তু সেও তখন তাকে পছন্দ করতো না

মানহা ( পর্ব-০২ )
নাইম প্রতিদিন প্রইভেট পড়ার পর মিষ্টি পিছু নিত মিষ্টি এইবিষয়ে খুব ভালো করে লক্ষ্য করতো কিন্তু তেমন পাত্তা দিত না কিন্তু নাইম প্রতিদিন ই মিষ্টির পিছু নিত তাদের বাড়ির সামনে গিয়ে ঘুর ঘুর করতো একদিন নাইম মিষ্টি কে তার মনের কথা বলেছিল কিন্তু মিষ্টি না করে দেয়

কিন্তু নাইম সেই আগের মতোই মিষ্টির পিছু নিত বাড়ির সামনে ঘুরতো এভাবে প্রায় তিনমাস কেটে গেল কিন্তু মিষ্টির মনে কোন ফিলিং আসলো না অন্যদিকে নাইম হতাশ হয়ে তার পিছু ঘুরতো একদিন মিষ্টি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে যায় যার জন্য তার বাবা মা অনেক চিন্তায় ছিল

মিষ্টিকে হাসপাতালে নেওয়া হলো কিন্তু মিষ্টি তখন শুধু নাঈমের কথাই ভাবতো তার কেমন জানি খারাপ লাগতো এই মনে হতো নাইম তার পিছনে কিন্তু নাইম তার পিছনে ছিল না মিষ্টি এইভাবে ৬,৭ দিন হটপিটালে থাকতে থাকতে নাঈমের শূন্যতা তাকে অনেক কষ্ট দেয় এবং সে বুঝতে পারে

নাইম কে সে ভালোবাসে অন্যদিকে নাইম প্রতিদিন ই প্রাইভেট এ আসতো আর দেখতে পেতো মিষ্টি আসে নাই তার বান্ধবী রাঐ কিছু জানতোহ না নাইম এই কদিনে তাদের বাসায় অনেক গেছে কিন্তু তাদের বাসায় শুধু একটা বড় তালায় ঝুলা ছিল নাঈমের অনেক মন খারাপ থাকতো

এর মাঝেই নাঈমের আব্বুর বিজনেস এর জন্য অন্যশহড়ে যেতে হয় যার জন্য নাঈমের পুরো পরিবার অন্যশহড়ে চলে যায় আর নাইম ও ভাবে হয়তো মিষ্টি অন্যশহড়ে চলে গেছে তাই একটু খুশি হয়েই চলে যায় আর তাদের বাড়ির সবকিছু নিয়ে চলে যায় আর বাড়িতে একটা দারোয়ান আর একটা

পারলে ঠেকাও ( পর্বঃ ০৪ ) - দিশা মনি
মহিলাকে দেখা শুনা করার জন্য রেখে যায় আর মিষ্টি যখন সম্পন্ন সুস্থ হয়ে যায় তখন সে মনের সুখে বাসায় চলে যায় যায় আর পরেরদিন প্রাইভেট এ যায় কিন্তু নাইমকে কোথাও দেখতে পায় না তার বান্ধবীদের থেকে শুনতে পায় এই কয়দিনে নাইম তাকে অনেক খুঁজেছে কিন্তু পায় নাই

মিষ্টি কারো থেকে ই নাঈমের খোঁজ করতে পারলো না কারণ নাইম কাউকে না জানিয়ে চলে গেছে মিষ্টি ভাবলো হয়তো নাইম অসুস্থ হয়েছে তাই একদিন সিদ্ধান্ত নিলো সে ওই বাড়িতে যাবে তাই মিষ্টি অনেক সাজুগুজু করে নাইমদের বাসার দিকে যেতে লাগল আর নাইমদের ঠিকানা প্রাইভেট এর

স্যারের থেকে পেয়েছে মিষ্টি । যখন মিষ্টি নাইমদের বাড়িতে গেল তখন দেখতে পেল দাড়োয়ানকে তখন মিষ্টি তাকে বললো নাইম কি বাসায় আছে দাড়োয়ান মিষ্টির অনেক সুন্দর সাজ দেখে লোভে পড়ে যায় আর একটা বুদ্ধি চালে মিষ্টির উপর দাড়োয়ান মিষ্টিকে বলে নাইম ছাদে বসে আছে

মিষ্টি খুশি মনে বাড়ির ভিতরে ঢুকলো আর দাড়োয়ান তিনটা ছেলেকে ডাকলো যাতে আজকে রাতে মিষ্টি কে ভোগ করতে পারে মিষ্টি বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেখতে পেল বাসায় কোন আসবাবপত্র নেই মিষ্টির একটু ঘটকা লাগলো মিষ্টি কোন কিছু না ভেবে ছাদের দিকে এগতো থাকলো

অন্যদিকে দাড়োয়ান এর ডাকা তিনটা ছেলেকে চলে আসলো যারা ছিল নেশাখড় আর ধর্ষণ কারি দাঢ়োয়ান তাদের সব বলে মোটা অংকের টাকা নিল আর গেট বন্ধ করে দিল মিষ্টি ছাদে উঠে কাউকে দেখতে পেল না হঠাৎ পিছনে একটা মহিলা আসলো মিষ্টি তাকে দেখে বলতে লাগলো নাইম কোথায়

কিন্তু সেই মহিলাটি ও তাদের সাথে যুক্ত ছিল তাই বলল তুমি অপেক্ষা করো আমি নাইম কে ডেকে আনছি মিষ্টি অপেক্ষা করল আর ছাদের ফুলগুলো দেখতে লাগলো অন্যদিকে দাড়োয়ান আর সেই মহিলাটিকে বাড়িথেকে বেড় করে দিল আর তারা বাড়ির বাহির থেকে তালা দিয়ে দিল আর ভিতরে

তিনটা ছেলেকে আর মিষ্টিকে আটকে দিল মিষ্টি অপেক্ষা করছিল তখনই পিছন থেকে সেইতিনটা ছেলে একসাথে ছাদে চলে আসলো মিষ্টি তাদের দেখে ভয় পেয়ে গেল কারণ সে একটা যুবতী মেয়ে আর তার সামনে নেশাগ্রস্ত তিনটা ছেলেকে মিষ্টি তাদের কাঁপা কাঁপা গলায় বলতে লাগলো

নাইম কোথায় ওহ কি এখানে আছে তখন সেই তিনটা ছেলের ভিতর একজন বলতে লাগলো নাইম কে কেন গো ড্রালরিং আমরা আছি না আজকে তোমাকে অনেক আদর করব মিষ্টি অনেক ভয় পেয়ে গেল আর একটা চিৎকার করলো কিন্তু কেউ সেই চিৎকার শুনলো না সেই তিনটা ছেলে মিষ্টিকে

পুতুল খেলা ( পর্বঃ ০৮ )
কিছু না বলতে দিয়ে কোলে করে নিয়ে গেল আর দ্বিতীয় তলায় একটা রুমে নিয়ে গেল একজন আর মিষ্টি কে নির্মম ভাবে ধর্ষণ করতে লাগলো মিষ্টি অনেক চিৎকার করছে কিন্তু তার চিৎকার কেউ শুনে নায় তাদের কাছে হাত জোড় করে ভিক্ষা চায় মিষ্টি কিন্তু তাকে তারা ছাড়ে না মিষ্টি কে নির্মম ভাবে

একজন ধর্ষণ করার পর আরেকজন মিষ্টি কে নিয়ে অন্যরুমে চলে গেল আর সেও মিষ্টি কে ধর্ষণ করলো তারপর তিন নাম্বার ব্যাকি্তটাও মিষ্টি কে তিন নাম্বার রুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করলো মিষ্টি কখনো এই রকম সম্মুখীন হয়নি তাই মিষ্টি সহ্য করতে না পেরে জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলে

মিষ্টির জ্ঞান হারা দেখে তার তিনজন খুব ভয় পায় আর নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে তারা ভাবে মিষ্টি মারা গেছে তাই মিষ্টি কে তারা জীবিত মাটি দিয়ে দেয় মিষ্টি মাটির ভিতরে ছটফট করতে করতে মারা যায় তার চিৎকার কেউ শুনে না তখন আর আমাকে মাটি দিয়েছিল বাড়ির পিছনে তেঁতুল গাছের নিচে

এইগুলো বলছিল মিষ্টি আর লক্ষ করলো নাইম আর আয়সার চোখে পানি নাইম মাথা নিচের দিকে করে রাখলো কারণ তার একটা ভুলের জন্য আজ মিষ্টি এই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে আর অনেক কষ্ট পেয়েছে তখন নাইম কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলতে লাগলো সেইতিনজন এখন কোথায়

মিষ্টি হাসতে হাসতে বলতে লাগলো মেড়ে ফৈলেছি আমি তাদের নির্মম ভাবে আমিও তাদের মেড়ে ফেলেছি আমি মারা যাওয়ার পর ভূত হয়ে যায় আর আমার মাথা যাওয়ার চারদিন পর সেই তিনটা ছেলে নেশা করতে এই বাড়িতে আবার ডুকে পড়ে আর আমি ও তাদের সেই তিনটা রুমেই মেড়ে ফেলেছি তিনজনের ই পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছি আমি আর একজন মাটিতে লুটিয়ে মড়েছে আরেকজন ফ্যানে জুলিয়া দিয়েছি তারপর আরেকজানের ঝাড় মটকেও দিয়েছি আর সেই মহিলাটিকে মেড়েছি বাড়ির পিছনে যেটা নাইম তুমি দেখতে পেয়েছো আর দাঢড়োয়ানকে গাছের সাথে ঝুলিয়ে মেড়ে ফেলেছি মিষ্টি এইগুলো বলছে আর বিকট শুড়ে হাসছে নাইম মিষ্টির হাসি দেখে ভয় পায় না বরং খুশি হয় কারণ আজ চার বছর পর মিষ্টির হাসি দেখছে সে তখনই আয়সা বলতে লাগলো তুমি তোমার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিয়েছো তাইলে কেন এখনো তুমি আত্না হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছো

পুতুল খেলা ( পর্বঃ ০৯ )
মিষ্টি বলতে লাগলো কারন এখনো আমার লাশ জানাজার করা হয় নি আর আমার আব্বু আম্মু আমার নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার শখে তাড়াও আত্নহত্য করে আর নাইমকে একটি বাড় জড়িয়ে ধরার অনেক অধীর অপেক্ষায় রয়েছি আমি নাইম কান্না করতে করতে মিষ্টি কে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে

ধরলো মিষ্টি ও নাইমকে পরোমসুখে জড়িয়ে ধরেছে তাদের এই অবহেলিত ভালোবাসা দেখে মিষ্টির চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে নাইম আর মিষ্টি প্রায় দশ মিনিট পর দুজন দুজনকে ছাড়িয়ে নিল আর মিষ্টি নাঈমের কপালে একটা চুমু একে দিয়ে বললো

নাইম তোমাকে অনেক ভালবাসতাম কিন্তু সেটা বুঝতে আমার এতো সময় লেগে গেল যে আজ আমার আর তোমার মাঝে এক সমুদ্র তফাৎ যদি আমি তোমার ভালোবাসা বুঝতাম তাইলে আজ আমার এই অবস্থা হয় না খুব ভালোবাসি তোমায় ভালো থেকো তুমি আজ থেকে তুমি মুক্ত

আয়সা তোমার ভালোবাসা বুঝবে তখন আমার মত অবহেলিত হবো তখন বিদায় তোমাকে নাইম আজ থেকে আমি মুক্ত আমি মুক্ত এই বলে মিষ্টি গায়েব হয়ে গেল নাইম সেখানে বসে কান্না করতে লাগলো আর আয়সা তাকে শান্তনা দিচ্ছে তখনই আয়সা নাইমকে বলতে লাগলো চলো দুজন মিলে মিষ্টি আপুকে জানাজার করে মাটি দিয়ে আসি নাইম উঠে দাঁড়িয়ে গেল আর নাইম ছাদে থেকে নিচে নামতে দেখলো এখানে সব পাল্টে গেছে এখানে কিছু আসবাবপত্র রয়েছে নাইম ভালো করে খুঁজে দুইটা কোদাল খুঁজে পেল আর সেটা নিয়ে দরজার কাছে নাইম আর আয়সা এসে ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেল নাইম তেঁতুল গাছের তলায় খুঁড়ে একটা কঙ্কাল পেলো নাইম আর আয়সা মিলে

প্রেমের উড়ান (পর্ব-১৭)
মিষ্টি জানাজার করে মাটি দিয়ে দিল যেহেতু সেখানে কোন লোক ছিল না আর নাইম এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলতেও চায় না নাইম আর আয়সা সেই বাংলো বাড়ির গৈট থেকে বেড়িয়ে এসে এক নজরে বাড়িটা দেখে নিল আর দুজনের চোখেই পানি । নাইম আয়সা কে নিয়ে গাড়িতে চড়ে সোজা তাদের বাড়িতে আসলো এসে দেখলো এখানে সকাল হয়ে গেছে তারমানে তারা পুরো রাত সেই বাংলো বাড়িতে ছিল নাইম আসতেই নাঈমের আব্বু আম্মু তাকে অনেক আদর করলো আর

পুলিশের কাছে ফোন করে আয়সার পুরো পরিবার কে সাথে করে নিয়ে আসতে বললো যখন পুলিশ আর আয়সার পরিবার আসলো তখন নাঈমের আব্বু ধনী হওয়ার কারণে টাকা দিয়ে এই কেস বাতিল করে দিল আর আয়সার আব্বু আম্মু আয়সাকে অনেক আদর করতে লাগলো নাইমরা

ধনী হওয়ার কারণে তেমন ঝামেলা হলো না আর আয়সা তাদের আব্বু আম্মু কে বললো নাইমকে সে বিয়ে করবে তাই আর কোন ঝামেলা হলো না


দুইদিন পর"""

অনেক ঝামেলার পর তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেল নাইম দরজার বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে যেতে চায়ছেন না নাঈমের আব্বু এটা দেখে জোর করে নাইমকে বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিল নাইম ঢুকতেই আয়সা এসে নাইমকে সালাম করলো নাইম এটা দেখে আয়সাকে তুলতে তুলতে বললো

আরে বউ কি করছো তোমার জায়গা আমার পায়ে নায় আমার খাটৈ

আয়সা লজ্জা পেয়ে গেল আর নাইমকে জড়িয়ে ধরলো আয়সা বায়না করলো একসাথে চাঁদ দেখবে নাইম এক ঝটকায় আয়সাকে কোনে করে নিয়ে যেতে লাগলো অনেক কষ্টের পর ছাদে পৌঁছে গেল কারণ তাদের বাসা চার তার নাইম আয়সাকে বলল

নাইম : এই তুমি কতো কেজি বাহ বাহ কত ভাড়ি

মানহা ( পর্ব-০১ )
আয়সা : এ্যাঁ আমি মোটেও ভাড়ি নায় তুমিই তো কিছু খাও না তাইতো আমাকে নিয়ে আসতে এত কষ্ট

নাইম একটা হাসি দিয়ে একটা দোলনায় বসে পড়লো আয়সাও নাইমের পাশে বসে ঘাড়ে মাথা রেখে বসে আছি হঠাৎ নাইম লাফিয়ে উঠে বলতে লাগলো

নাইম : আচ্ছা আয়সা চলোনা আমরা ১০,১৫ টা বাচ্চা নেয়

আয়সা তো অনেক অবাক হয়ে গেল কারণ নাইম এইগুলো কি বলে আয়সা একটু লজ্জা পেয়ে ঘাড় নিচু করে বলতে লাগলো

আয়সা : ১০,১৫ টা বাচ্চা নিলে আমি আর বাঁচবো ইসলাম না তখন তোমার বউছাড়া থাকতে হবে

নাইম বলতে লাগলো আরে কিছু হবে না আমার স্বপ্ন ১০,১৫ টা বাচ্চার বাবা হওয়া তাই তোমাকে আমার ইচ্ছা পূরণ করতেই হবে এই বলে আয়সার ঠোঁট জোরে কিস করতে লাগলো

উমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমাহহহ


নাইম এইদিকে তার মিশন কমপ্লিট করুক আমরা একটা করে লাইক , কমেন্ট আর শেয়ার করে যায়




বিশেষ দ্রষ্টব্য : মাথা ব্যাথার কারণে ভালো করে লিখতে পারিনি আর আমার একটু বাসায় ঝামেলা হয়েছে তাই খুব দ্রুত শেষ করে দিলাম ☺️


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।