ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৪) - নাঈম চৌধুরি

মন দিয়েছি তোমার নামে (পর্ব-০১)
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৪) - নাঈম চৌধুরি
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৪) - নাঈম চৌধুরি


গল্পঃ ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য
লেখকঃ Nayeem Chowdhury
প্রকাশকালঃ ২০২২
অনলাইন প্রকাশিত
পর্বঃ ০৪

৩য় পর্বের পর থেকেঃ
নাইম দ্রুত সিড়ি বেয়ে নিচে নামলো সে খুব খুশি ছিল তখন যে তার ভালোবাসা কে দেখতে পাব কতক্ষণ হয়ে গেল এখনো নাইম আয়সাকে দেখে নাই না জানি মেয়েটা এখন কেমন আছে কি অবস্থা আছে নাই সেড়ে বেয়ে নামতে খুব কাল্ত হয়ে গেল কারণ সে আজকে অনেক ভয়ের সম্মুখেন হয়েছে
নাইম এদিক ওদিক তাকিয়ে কোন টেবিল দেখতে পেলো না নাইম এদিক ওদিক দেখতেই দেখতে পেলো সিঁড়ির নিচে একটা নয় দুইটা রুম রয়েছে নাইম ভাবলো আগে আয়সাকে দেখে আসি মেয়েটা মনে হয় অনেক ভয়ে আছে নাইম সিঁড়ির ঠিক ডানপাশের একটা রুমে ডুকলো রুমের দরজায়

অনেক বড় তালা ঝোলানো নাইম দৌড়ে বাম সাইডের রুমের কাছে যেতেই দেখতে পেলো সেখনোও বড় তালা ঝুলানো নাইম এদিক ওদিক ভাড়ি কিছু খুঁজতে লাগলো কিন্তু কিছু পেলো না নাঈমের মনে পড়ে গেল নাইম এই বাড়াতে ঢুকার আগে একটা বড় ইট দিয়ে তালা ভেঙ্গে ছিল

তাই নাইম দ্রুত বাহিড় হওয়ার দরজার দিকে গেল সেখানে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিতে কিছু হলো নাইম অনেক জোরে জোরে দরজা ধাক্কাচ্ছে কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না মনে হচ্ছে কেউ বাহিড় থেকে দরজা আজকে দিছে নাঈমের মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিছে নাইম একটু স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়ল

আর নিজেই নিজেকে বলতে লাগলো " ভাবতে থাকে নাইম গরম মাথায় নয় ঠান্ডা মাথায় ভাব এখনো তর দুইটা বিপদ এক নিজেকেই একাই ছড়াই করতে হবে আর আয়সাকে বাঁচাতে পড়ে দেখা যাবে বাহির হওয়ার রাস্তা নাইম নিজের মাথা ধরে সেখানে বসে পড়লো হঠাৎ নাইম শুনতে পেল
""" নাইম কোথায় তুমি আমাকে বাঁচাও ওহ আমাকে মেড়ে ফেলবে আমি বাঁচতে চাই নাইম আমাকে বাঁচাও আউউউউ নাইম এদিক ওদিক তাকাতে দেখে কোথাও আয়সা নেই নাইম একটু আন্দাজ করতে পেরেছে যে আওয়াজ টা সিঁড়ির নিচে ওই দুইটা রুম থেকেই আসছে নাইম বলতে লাগলো

আয়সা তুমি কোথায় আর একবার কথা বলো না তুমি মিষ্টি তুমি পিল্জ আমার আয়সাকে ছেড়ে দেও আমি আর পাড়ছি না আমার আয়সাকে ছেড়ে দেও """ কিন্তু কারো কোন আওয়াজ ভেসে আসলো না শুধু নাইমের প্রতিফলন কথা ছাড়া নাইম কি জেনো ভেবে উপড়ে উঠতে থাকে

নাইম দু তলায় উঠে দুই নাম্বার রুমে গেল যেখানে একটা ছেলের ফাসি দেওয়া কঙ্কাল ভাসছে নাইম দৌড়ে গিয়ে দেখলো তার ধারণার ঠিক কঙ্কাল টা একটা ফ্যান এর সাথে রশি দিয়ে ফাসি দিয়ে আছে নাইম ওই কঙ্কাল টাকে নেমে ফ্যান খুলে তার উপড়ের রড টুকু নিবে যেই রডের সাহায্য ফ্যান ঝুলে থাকে

নাইম কঙ্কাল টাকে সড়ানোর সাহস পাচ্ছে না কিন্তু আয়সার কথা মনে পড়তেই কঙ্কাল টাকে ধরে একটা টান দিলো অনেক দিনের হওয়ার কারণে কঙ্কাল কে যে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়েছিল সেটা ছিঁড়ে গেল নাইম ফ্যান টা কোন রকম ধরতে পারছে না যাতে সেই ফ্যানটা নামাবে নাইম কোন রকম লাফ দিয়ে ফ্যান টা ধরলো

নাইম ফ্যানটা ধরতে একটা আওয়াজ হলো নাইম কোন রকম বাদুড়ের মতো ফ্যানটা ধরে উপড়ে উঠতে থাকলো কখনো এমন পরিস্থিতি না আসার কারণে নাইম উঠতে পারছে না নাইম অনেক কষ্ট করে আর একটু উঠতে ফ্যানটা নিচে পড়ে গেল সাথে নাইম ও নাঈমের পড়ে গিয়ে অনেক ব্যাথা পেল

নিজের পা টা ঠিক মতো নাড়াতে পাড়ছে না নাইম এদিক ওদিক খুঁজতেই দেখতে পেল রডটা নাইযম ধীরে ধীরে নিচে নামতে থাকলো তার পায়ে অনেক ব্যাথা পাচ্ছে নাইম মনে হয় মচকে গেছে পা টা নাইম ধীরে ধীরে নিচে নামতেই চোখ আটকে গেল একটা দেওয়াল ঘড়ির উপর নাইম নিজের পকেট

এম্বুলেন্স রহস্য ( পর্ব-০৮ )
থেকে ফোন বের করতেই দেখতে পেল এখনো রাত ১২:১২ বাজে তারমানে এখনো আমি এই টাইমেই আটকে আছি নাইম কোন কিছু না ভেবেই ডান পাশের তালার কাছে গেল এবং নিজের সবশক্তী দিয়ে একটা বাড়ি মারতেই তালাটা খুলে গেল নাইম একটু মুচকি হাসলো যে তার আয়সাকে

এখনি দেখতে পাবে নাইম রুমের দরজা খুলতেই দেখলো একটা সিঁড়ি যেটা নিচে গেছে মনে হচ্ছে এটা একটা গোপন জায়গা নাইম ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতেই দেখতে পেলো সেখানে অনেক সুন্দর করে জিনিস পএ সাজানো অনেক বই রয়েছে এখনো কয়েকটা লাইট জ্বলছে এখানে

মিষ্টি থেকে বিদায় নেওয়ার পড়েই এই বাড়িতে লাইট আসছে নাইম আরেকটু নিচে নামতেই দেখতে পেল আয়সার নিষ্পাপ মুখটা নাইম দেখলো আয়সাকে সুন্দর করে একটা বিছানায় শুয়ে রাখা হয়েছে মনে হচ্ছে সে প্রমাণ আনন্দে ঘুম পারছে আর পুরো বিছানায় গোলাপের পাপড়ি দিয়ে ভড়া

নাইম দৌড়ে গিয়ে আয়সাকে গালে মুখে যেখানে পাচ্ছে চুমু খাচ্ছে কিন্তু একি আয়সা কোন কথা বলছে না কেন নাইম ভয়ে ভয়ে আয়সার বুকের উপর কান পেতে দিয়ে দেখলো এখনো রিদপন্দন বাড়ছে মানে আয়সা বেঁচে আছে মনে হচ্ছে জ্ঞান নেয় নাইম একটু দূড়েই দেখতে পেল একটা রুম

নাইম ধীরে ধীরে হেটে গিয়ে দেখতে পেলো এটা বাথরুম নাইম একটু সাহস পেল যে এখন থেকে পানি অন্তত পাওয়া যাবে নাইম টেপটা ছাড়তেই দেখলো‌ হাল্কা হাল্কা করে পানি পড়ছে মনে হচ্ছে পানি নেয় নাইম হাতের কাছে কোন কিছু না পেয়ে নিজের গেঞ্জি খুলে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিল

তারপর আবার আয়সার কাছে গিয়ে মুখের উপর গেঞ্জিটা অনেক জোরে মোচড় দিলো আর পানি গিয়ে আয়সার মুখে পড়লো তাতে আয়সা হাল্কা হাল্কা করে চোখ খুলতেই ঠাসসসসসসসসসসস

পারলে ঠেকাও ( পর্বঃ ১৪ )
কুত্তা বাচ্চা তোর গেঞ্জি খোলা কেন আর আমি কোথায় বিছানায় এইভাবে কে সাজিয়ে

নাঈমের চোখ দিয়ে দুইফোটা পানি গড়িয়ে পড়লো তার জন্য এতকিছু করলো সেই যদি এমন করে তাইলে তার কেমন লাগবে আর তা বলার বাড়ে নাইম ধীরে ধীরে বলতে লাগলো আমি তোমাকে কিছু করি নাই বিশ্বাস করো আমার ভালোবাসার কসম সাথে সাথেই ঠাসসসসসসসসসস

তর ভালোবাসা তাইনা তাইলে আমার সাথে কি করতে চায় ছিলি এতক্ষণ হুঁ অনেক রাখি চোখ নিয়ে কারণ আয়সা ভাবছে যে নাইম তাকে সত্যি সত্যি ধর্ষণ করতে চায়ছিল নাইমের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে তবুও কিছু বলছে না কারণ অনেক কষ্টের পর তাকে দেখতে পায়ছে

নাইম কিছু না ভেবে আয়সার পা ধরে বললো বিশ্বাস করো আয়সা আমি তোমাকে কিছু করতে চায়নি আমিতো শুধু তোমার মুখে পানি দিয়েছি আর এটা আমাদের পুরানো বাংলো বাড়ি হুঁ আমি তখন রাগের বশে বলছি আমি তোমাকে ধর্ষণ করবো কিন্তু বিশ্বাস করো এটা এখন ভূতুড়ে বাড়ি হয়ে গেছে অনেক কষ্ট পর তোমার মুখ আমি দেখতে পায়ছি

আয়সা একটু ভেবে বললো আচ্ছা বিশ্বাস করছি তোমাকে এখন তাড়াতাড়ি আমাকে আমার বাসায় পৌছে দিয়ে আসলো আয়সা মনে মনে ভাবলো আগে বাড়িতে যায় শুধু তারপর দেখবো তোকে
নাইম বলতে থাকলো তার আগে তোমাকে আমার সাথে ছাদে যেতে হবে পিল্জ না বলো না

আয়সা কিছু একটা ভেবে হ্যাঁ বলে দিল নাইম আর আয়সা উপড়ে উঠতে লাগলো তখন আয়সা খেয়াল করলো যে নাঈমের পা দিয়ে অনেক রক্ত বের হচ্ছে কিন্তু তাতে আয়সার কি এটা ভেবে আয়সা নাঈমের পিছে পিছে যেতে লাগলো নাইম ধীরে ধীরে সেই সিঁড়ির নিচে থেকে উপড়ে উঠতেই আয়সা দৌড়ে বাড়ির বাহির হওয়ার দরজা কাছে গিয়ে ধাক্কা দিল কিন্তু তাতে কোন লাভ হলো না নাইম দূর থেকে বললো তোমাকে বলছি না এখান থেকে বেড়াতে পারবে না আমাদের বেড় হতে হলে আগে ছাদে যেতে হবে তারপর আমারা বেড় হতে পারবো আয়সা বললে কিন্তু ছাদে কেন ছাদে কি আছে

নাইম বললো গেলেই দেখতে পাবা নাইম আর আয়সা ধীরে ধীরে উপড়ে সিঁড়ি বেয়ে উপড়ে উঠতে লাগলো কিন্তু আয়সা নাইমকে বিশ্বাস না করেই এক তলায় উঠার পর প্রথম গড়ে ঢুকে পড়লো নাইম পিছন থেকে ডাকলেও কিছু বললো না সোজা ঢুকে গেল আয়সা সেই রুমে ঢুকতেই দেখতে পেল

সেখানে কিছু নেই কিন্তু আয়সা একটু চোখ তুলে উপড়ে তাকাতেই দেখে ১২:২১ বাজে আয়সা মাথায় হাত দিয়ে বললেই হায় আল্লাহ এখন কি হবে আব্বু আম্মু কত চিন্তায় আছে আমাকে তাড়াতাড়ি বাসায় যেন হবে নাইম বললো " আয়সা এখন থেকে বেড় হওয়া এত সহজ নয়

৫ মিনিটে ৫টি গল্প যা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দেবে!
কারণ আমরা এখানে ফেঁসে গেছি আমাদের আগে ছাদে যেতে হবে তারপর আমরা এখনা থেকে বেড়াতে পারবো আয়সা কোন কথা না বলে নাঈমের পিছে পিছে গেল নাইম কোন রকম ন্যাংরা মানুষের মতো করে হেঁটে যেতে লাগল কিন্তু আয়সা তাকে হেঁটে যাওয়ার জন্য সাহায্য করল না

নাইম এটা ভেবে খুব কষ্ট পেল নাইম ছাদৈ গিয়ে দরজা খুলতেই দেখতে পেল সেখানে কেউ নেই মনে হচ্ছে শুনশান পরিবেশ কোন মানুষ নেই আশেপাশে আর ছাদেও মিষ্টি নেই নাইম ভাবলো এটা কোন মায়াজাল না চোহ নাইম মিষ্টি মিষ্টি বলে চিৎকার করতে লাগলো তখন আয়সা বলল

এই মিষ্টি টা আবার কে আর ছাদে আসলে না বলে আমরা বেড়তে পারবো এই ছাদ থেকে তাইলে চলো বেড় হয়ে যায় এই বাড়িতে থেকে নাইম বলল আমাদের এই বাড়িতে থেকে একমাত্র মিষ্টি ই বেড় করতে পারবে আর কেউ নয় আয়সা বললো তাইলে ডাকো তাকে নাইম অনেক জোরে জোরে ডাকতে লাগলো

হঠাৎ সামনে মিষ্টি চলে আসাতে আয়সা ভয় পেয়ে গেল আর একটা চিৎকার দিয়ে নাইমকে জড়িয়ে ধরলো তখন নাইম আয়সাকে বললো ভয় পাচ্ছো কেন মিষ্টি তোমার কোন ক্ষতি করবে না আয়সা একটু সাহস পেলো আর সামনে তাকাতে দেখলো মেয়েটার সত্যি অনেক মিষ্টি চেহারার অনেক

মায়া মায়া ভাব আছে তখনই মিষ্টি বলতে লাগলো নাইম তোমাকে আমি সব কিছু বলবো তার আগে তুমি আমাকে আয়সাকে নিয়ে ঘুরে আসার জন্য কিছু সময় দেয় যাতে এতক্ষণ কি কি হয়েছে তোমার সাথে সেটা নিজ চোখে দেখতে পায় নাইম একটা হাসি দিয়ে বলতে থাকলো না মিষ্টি খুব ভয়ে পেয়ে যাবে ও

মানহা ( পর্ব-০৪ ও শেষ )
আর আমি ওকে কোথাও যেতে দিব না মিষ্টি বললো দৈখো নাইম আমি জানি তুমি ওকে কতোটা ভালোবাসি কিন্তু তুমি ওর থেকে তখনি ভালোবাসা পাবে যখন ও বুঝতে পারবে তোমার ভালোবাসা টা তাই পিল্জ না করো না নাইম হ্যাঁ সমতি জানায় মিষ্টি কোন কথা না বলেই আয়সার হাত ধরতেই

মিষ্টি আর আয়সা হাওয়া হয়ে গেল নাইম আশেপাশে তাকিয়ে দেখলো কোথাও নেই নাইম আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখতে থাকলো চাঁদ আর মিষ্টির সাথে কি হয়েছে এটা নিয়ে ভাবতে লাগলো এভাবে অনেক ক্ষণ হয়ে গেল টাইম একই জায়গায় আটকে যাওয়ার জন্যে নাইম বুঝতে পারছে না কত বাজে

হঠাৎ আয়সা আর মিষ্টি কোথা থেকে যেন চলে আসলো নাইম দেখতে পেলো আয়সার মুখে এখনো ভয়ের ছাপ আর চোখে অনেক পানি আয়সা দৌড়ে এসে নাইমকে জড়িয়ে ধরলো যাতে নাইম অনেক খুশি হলো সে তো এটাই চায় তো যে আয়সা তাকে জড়িয়ে ধরুক এভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর আয়সা

নাইম কে ছেড়ে দিয়ে কিছু বলতে চায় লো কিন্তু কিছু বলতে পারছে না কারণ মনে হয় অনেক কান্না করছে মিষ্টি আয়সাকে থামিয়ে দিয়ে বলতে লাগলো নাইম এখন তো তুমি অনেক খুশি তাইনা মিষ্টির চোখেও পানি কিন্তু মিষ্টির চোখে কেন পানি সেটা নাইম যানে না নাইম বললো হ্যা অনেক খুশি

ব্যাবসা – ম্যাক রেনল্ড
মিষ্টি বলতে লাগলো কিন্তু আমিতো খুশিতে নেয় সেই ৪ বছর ধরে আমি অভিশপ্ত হয়ে আছি মুক্তি পাচ্ছি না আমি অনেক জোরে বলতে লাগলো মিষ্টি চোখ অনেক লাল হয়ে গেছে আয়সা ভয় পেয়ে নাইমকে খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো নাইম বলতে লাগলো কিন্তু কেন মিষ্টি কি হয়ছে তোমার সাথে পিল্ছ আমাকে বলো আর এই ৪ বছর তুমি কোথায় ছিলে

মিষ্টি বললো হু আজকে সব বলবো তোমাকে যেটা তুমি কখনো শোনা নি আর কেন আমি এই অভিশপ্ত জীবন কাটাচ্ছি কেন এই বাড়িতে আজ এত ভূতুড়ে কেন তোমাকে আর আয়সাকে এত কষ্ট দিলাম সব বলবো তবে শোন তাইলেএএএএএএএএ.....................????😝




বিশেষ দ্রষ্টব্য: আগিমী কাল সব রহস্য খুলে বলা হবে আর ভুলক্রটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 😊


চলবে ......

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।