ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৩) - নাঈম চৌধুরি

আশাপূর্ণা দেবী এর জ্ঞানচক্ষু
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৩) - নাঈম চৌধুরি
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৩) - নাঈম চৌধুরি


গল্পঃ ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য
লেখকঃ Nayeem Chowdhury
প্রকাশকালঃ ২০২২
অনলাইন প্রকাশিত
পর্বঃ ০৩


২য় পর্বের পর থেকেঃ
নাইম এতকিছু সহ্য করতে না পেড়ে অজ্ঞান হয়ে গেছো


অন্যদিকে "
নাঈমের আম্মু অনেক অসুস্থ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে নাঈমের আব্বু এতকিছু আর সহ্য করতে পারছে কখনো এমন পরিস্থিতিতে আসেনি সে সেও অনেকটা ভেঙ্গে পড়ছে তার পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই ডাক্তার নাঈমের আম্মু কে একটু ভালো করে দেখে বললো

"" ভয়ের কোন কারণ নেই না খাওয়ায জন্য আর অধিক চিন্তা করার জন্য এমনটা হয়েছে আর একটু রেস্ট নিলেই ঠিক হয়ে যাবে আমি কিছু ওষুধ লিখে দিচ্ছি সেগুলো এনে খাইয়ে দিবেন তাইলে ঠিক হয়ে যাবে নাঈমের আব্বু একটু স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়ল ।

আর আয়সার পরিবারের কেউ এখনো খাবার খায় নি আদরের মেয়েটাকে এখনো পাওয়া যাচ্ছে না এই কথাই তারা প্রায়ই পাগলের মতো হয়ে গেছে পুলিশ অনেক তদন্ত করছে কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না কেউ দেখে নাই নাইম আর আয়সা কোথায় গেছে

নাইমমম নাইমম এত তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে পড়লে আমাকে কেমনে পাবে কথাটা নাঈমের কানে ভেসে আসলো নাইম হাল্কা হাল্কা চোখ খুললো দেখলো সামনে কে জেন সাদা কাপড় পড়ে আছে নাইমের মাথাটা অনেক ব্যাথা করছে নাইম ধীরে ধীরে চোখ খুলে দেখলো সামনে কেউ নেই তারমানে

এটা তার মনের ভুল ছিল এটা ভেবে এরিয়ে গেল নাইম কোন রকম উঠে দাড়ালো কিন্তু সামনে সে সবকিছু ঘোলা ঘোলা দেখতে পারছে নাইম তার মোবাইল টা খুঁজতে লাগলো অজ্ঞান হওয়ার সময় মোবাইল টা হাত থেকে পড়ে গেছে আর অন্ধকার হওয়ার কারণে খুঁজে পাচ্ছে না নাইম

নাইম বসে থেকে হাত দিয়ে এদিক ওদিক দেখতে লাগলো কিন্তু তার হাতে কিছু বাজলো না হঠাৎ তার মনে হলো তার হাতে কিছু লেগে গেছে আর সেটা একটু গাঢ় মনে হচ্ছে নাইম আর একটু খুজার পর তার মোবাইল টা হাতে বাজলো তখন নাইম একটু খুশি হলো যে একটু আলো তো পেয়ে যাবে

নাইম মোবাইল টা হাতে নিতেই দেখতে পেলো বন্ধ হয়ে গেছে আর মোবাইল টা চালু করার চেষ্টা করলো নাইম কিন্তু কিছুতেই চালু হচ্ছে না এইদিকে নাইম এমন অন্ধকার দেখে মনের ভিতর একটা অজানা ভয় কাজ করছে হঠাৎ মোবাইল টা খুলে গেল নাইম একটা গভীর শ্বাস ছাড়লো

মোবাইল টা খোলার সাথে সাথে নাইম মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে ফেললো আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে সেখানে কোন পুতুল নেই যেটা নাইম একটু আগে দেখছিল তার হাতে কিছু পিছল পিছল মনে হলো লাইট টা ধরতে দেখতে পেলো হাতে অনেক রক্ত নাইম ভয় পেয়ে একটু দম নিয়ে থাকলো
লাইট টা নিচে ধরতেই দেখতে পেলো সেখানে কোন রক্ত নেই নাইম যখনই না ভয়ে বাইর হওয়ার জন্য পা বাড়ালো তখনই দরজা টা আপনাআপনি বন্ধ হয়ে গেল নাইম খুব ভয় পেয়ে গেল নাইম দৌড়ে গিয়ে দরজা ধাক্কা তে থাকলো কিন্তু দরজা খুললো না নাইম ভাবলো সে তার আব্বু কে

ফোন দিয়ে বললেই তো হয় পড়ে তার আব্বু এসে থাকে এখান থেকে নিয়ে যাবে আর আয়সাকেও

নাইম যেইনা আবার মোবাইল টা চালু করলো উপড়ে দেখতে পেলো এখনো রাত ১২:২১ বেজে আছে এবার নাইম অনেক ভয় পায় তার গলা শুকিয়ে আসে সে বুঝে যায় যে সে ফেসে গেছে আর এই অজানা মায়াজালে সে বন্দি নাইম যেই ফোন দিতে যায় তার আব্বু কে দেখে ফোন যাচ্ছে না

নাইম একটু ভালো করে দেখতেই বলে ফেলে সর্বনাশ এখানে তো কোন নেটওয়ার্ক ই নাই এখন কি হবে নাঈমের মনে পড়ে গেল আয়সার কথা কে জানে মেয়েটা এখন কেমন আছে নাইম জোরে জোরে ডাকতে থাকে আয়সা আয়সা আয়সা পিল্জ ফিরে এসো আমি তোমাকে কিছু করবো না

আমি অনেক ভয় পাচ্ছি আয়সা আমাকে আর শাস্তি দিয়ো না আমি তোমার পায়ে ধরে বলতাছি তুমি বেড়িয়ে আসো নাইম কান্না করতে থাকে নাইম অনেক ভালোবাসে আয়সাকে কিন্তু আজকে তার একটা ভুলের জন্য আয়সাকে পাচ্ছে না নাইম যেইনা মাথা উপড়ে তুলে তখনই

হঠাৎ করে বাড়ির সব লাইট জ্বলে উঠে নাইম নিজের চোখের পানি মুছে ফেলে এটা ভেবে একটু খুশি হয় যে এখন সে ভয় পাবে না আর আয়সাকে খুব সহজে খুঁজে পাবে কিন্তু যখনই না নাইম একটু মাথা টা ঘুরে সামনে তাকায় দেখতে পায়

বাড়িটা অনেক ময়লায় ভরা দেয়ালের সাথে অনেক ছোট ছোট গাছের শিকড় আঁকড়ে ধরে রেখেছে আর সিড়িটা অনেক ধুলাবালি লেগে আছে আর লাইট টা একটু টিপ টিপ করছে মনে হয় অনেক দিন চালানো হয়নাই তাই এমন নাইম একটা গভীর শ্বাস ছাড়লো আর সিঁড়ি বেয়ে উপড়ে উঠতে থাকলো কারণ নিচে কোন রুম নেই আর বাড়িটা দুই তলা তাই নাইম নিজের
ফোনের লাইট অফ করে এগিয়ে যেতে লাগলো নাইম যতোই পা উপড়ে তুলছে ততোই যেন ভয় পাচ্ছে মনের ভিতর একটা অজানা ভয় কাজ করছে নাঈমের নাইম এক তলাতে উঠতেই দেখতে পেল তিনটা রুম আর তিনটাই খোলা নাইম খুব অবাক হয়ে যায়

আর মনে মনে ভাবতে থাকে এখানে এতগুলো মানুষ থাকে তাইলে কেউ আমার কথার জবাব দিল না কেন আর আমাকেই বা কেন এত ভয় দেখালো নাইম একটা রুমেই ঢুকতেই দেখতে পেলো পুরো রুম ফাঁকা আর সেখানে কোন জিনিস পএ নৈই দেওয়ালে একটা মাএ ঘড়ি আছে পুরো রুমে

কিন্তু ঘড়িতে অনেক ময়লা তাই নাইম ভাবলো দেখি কয়টা বাজে এখানে নাইম একটু হাত দিয়ে ময়লা মুচতেই দেখতে পেলো এখানেও ১২:২১ বাজে নাইম অবাক হয়ে যায় আর নাইম ওই রুমে আর থাকে না পরের রুমে যেতেই দেখতে পায়

সেখানেও কিছু নেই শুধু একটা ঘড়ি নাইম আবার আগের ঘড়ির মত মুচতেই দেখতে পেলো ১২:২১ বজে নাইম বুজে যায় যে সে এই ১২:২১ টাইম এ আটকে পড়েছে নাইম একটু মুচকি হাসে এটা ভেবে যে সে জানতে পেরেছে তার মূল সমস্যা টা কোথায় নাইম অন্য একটা রুমে যেও দেখতে পায় শুধু একটা ঘড়ি আর এই তিনটা ঘড়ির একই রকম আর একই টাইমে আটকে আছে

নাইম আয়সা আয়সা ডাক দিতে দিতে উপড়ে উঠতে থাকে মানে দুই তলাতে নাইম সেখানেও মাএ তিনটাই রুম দেখতে পায় নাইম ভাবছে সেখানে যাবে না যেইনা নাইম এক পা এগিয়ে যায় এমনি এক নাম্বার রুম থেকে "" নাইম আমাকে বাঁচাও আমি আর পাড়ছি না ও আমাকে মেড়ে ফেলবে " নাইম কন্ঠসড় টা চিনতে পারে কারণ ওটা আয়সা বলছে নাইম দৌড়ে ওই রুমে ডুকে আর ঢুকতেই দেখতে পায় একটা কঙ্কাল

নাইম কঙ্কাল টা দেখে ভয়ে পেয়ে যায় আবার ভাবতে থাকে আয়সাকে যদি কেউ মেড়েও ফেলে তাইলে এত তাড়াতাড়ি কঙ্কাল হবে না নাইম ভালো করে কঙ্কাল টা দেখে বুঝতে পারলো এটা একটা ছেলে মানুষের কঙ্কাল নাইম ভাবলো আমি কোন পুলিশ না যে এইগুলো নিয়ে ভাববো আমাকে আমার আয়সাকে খুঁজতে হবে নাইম রুম থেকে বেরিয়ে যেতেই আবার দুই নাম্বার রুম থেকে আগের মতোই আয়সার কন্ঠ ভেসে আসলো নাইম আবার দৌড়ে সেই রুমে গেল দেখতে পেলো একটা কঙ্কাল ফাঁসি দিয়ে আছে মনে হয় আত্নহত্য করছে নাইম মনে মনে চিন্তা করতে থাকলো যখনই আমি নিচে নামতে চায় তখনই কেন আয়সার কন্ঠ ভেসে উঠে তারমানে আমাকে এই অদ্ভুত রুম গুলো দেখতেই হবে
নাইম একটা হাসি দিল যে এখনি সে রুম থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে আয়সার ডাক পড়বে নাইম পকেটে দুইটা হাত দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলো আর সত্যি সত্যি তিননাম্বার রুম থেকে আগের মত আয়সার ডাক চলে আসলো নাইম সেই রুমে যেতেই দেখলো আরেকটা কঙ্কাল আর সেটা খুব অদ্ভুত কারণ কঙ্কাল টার মাথা একজায়গায় ছিল আর পুরো বডি অন্য জায়গায় আর হাত আর পা দুটো সেখানে ছিল না।

নাইম এইগুলো দেখে খুব ভয় পেয়ে যায় আর মনে মনে চিন্তা করতে থাকে এদের এই অবস্থা করলো কেন হঠাৎ তার আয়সার নিয়ে চিন্তা হলো নাম যেইনা দরজা থেকে বের হলো তখনই ছাদ থেকে একটা পোড়া পোড়া গন্ধ আসলো নাইম দৌড়ে ছাদে যাওয়া মাএ দেখতে পেল সেখানে একটা উড়না জ্বলছে নাইম সেখানে বসে পড়ে।

কারণ উড়নাটা আয়সার ছিল নাঈমের অজান্তেই চোখ থেকে অশ্রু বেড় হতে থাকলো নাইম উঠে গিয়ে উড়না টা নিভাবোর চেষ্টা করলো তাতে নাঈমের হাতে অনেক আঘাত লাগলো নাইম অনেক চেষ্টা করে আয়সার উড়নার আগুন নিভাতে পারলো নাইম উড়নাটা বুকে জড়িয়ে নিয়ে

একটা বিরাট চিৎকার দিল আয়সা বলে নাঈমের চোখ থেকে এখনো বিন্দু বিন্দু পানি পড়ছে নাইম কখনো এমন কান্না করে নাই সবসময় হাসি খুশি থাকতো তাই নাঈমের চোখ আজ বাধা মানছে না হঠাৎ নাইম শুনতে পেল

নাইম অনেক ভালোবাসো তাইনা আয়সা তুমি _"""" নাইম পিছনে তাকাতেই দেখতে পেল একটা মেয়ে সাদা শাড়ি পড়ে অন্য দিকে ঘুরে তাকিয়ে আছে দেখে মনে হচ্ছে আয়সার বয়সেই হবে নাইম বলল

হুঁ অনেক ভালোবাসি পিল্জ আপনি আমাকে আয়সার কাছে নিয়ে চলেন আমি আর পাড়ছি না এইগুলো দেখতে মনে হচ্ছে কেউ আমার কলিজা টা টেনে ছিঁড়ে ফেলেছে

অপরিচিত মেয়েটা : বুঝতে পারছো কি নাইম ভালোবাসার মানুষ কে এক ঘন্টা না দেখলে কেমন লাগে ! ( অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেই ছাদের দেওয়াল ধরে রেখে )

নাইম : আপনি কে আমার নাম জানলেন কেমনে আর আমি আয়সাকে অনেক ভালোবাসি পিল্জ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসুন
অপরিচিত মেয়ৈটা হঠাৎ আমার দিকে ঘুরতে আমি অবাক হয়ে যায় এটাতো সেই চিরচেনা মুখটা আমি অবাক হয়ে বলতে থাকি মিষ্টি তুমি এখানে আমি দৌড়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে যেতেই পড়ে যায় আমি এটা ভেবে অবাক হচ্ছি যে আমি মিষ্টি কে ধরতে পারলাম না কেন

হাহা হাহা মি: নাইম চৌধুরী এখন আর আমাকে ধরতে পারবেন না কারণ আমি তো আর আপনাদের মত মানুষ না যে যখন খুশি ধরতে পারবো

এ তুমি কি সব উল্টা পাল্টা বলছো তুমি মানুষ নাতো কি ভূত মিষ্টি বললো হ্যা ঠিক বলেছে আমি একটা ভূত জানো নাইম আমার না অনেক কষ্ট আমি এত কষ্ট নিতে পারছিনা আমাকে তুমি মুক্তি দাও নাইম অবাক হয়ে গেল আর বলতে লাগলো কিন্তু তুমি ভূত হলে কেমনে আর আমি তোমাকে কত জায়গায় না খুঁজেছি মিষ্টি তুমি আমার ভালোবাসা টা বুঝলে না

দৌড়ে চলে গেলে আমাকে রেখে কি পাপ করছিলাম মিষ্টি যে আমাকে এত বড় শাস্তি দিলে তুমি আমিতো শুধু তোমাকে ভালোবাসতে চায় ছিলাম তোমার আমাকে পছন্দ না হলে বলতে আমি দূর থেকে তোমাকে দেখতাম কিন্তু তুমি আমার সেই সুযোগে টাও করে দেও নাই
পারলে ঠেকাও ( পর্বঃ ১০ ) - দিশা মনি

নাঈমের চোখ দিয়ে এখন অনেক পানি পড়ছে নাইম কিছুতেই নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না অনেক কষ্ট হচ্ছে তার মিষ্টি বলতে থাকলো আমাকে তুমি আজো বুঝতে পারলে না নাইম জানে সেইদিন যখন লাস্ট তুমি আমাকে প্রোপোস করছিলে তখন আমার সামনে আমার ছোট ভাই আসছিল তাই আমি নেই নাই তোমার প্রোপোস আর তুমি অভিমান করে চলে গেল পড়েদিন আমার অনেক জ্বর আসে তাই তিনদিন আমার হটপিটালে থাকতে হয় যেই কারণে আমাকে তুমি খুঁজে পাও নাই কিন্তু এই তিনদিনে আমি তোমাকে অনেক মিস করছি আমি বুঝে যাই যে আমি ও তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলছি যখন আমার জ্বর সাড়ে তখন আমি তোমার বাড়িতে যায় আর দেখতে পায় তুমরা সেখানে নেই কিন্তু তখনই ঘটলো আমার জীবনে সবথেকে খারাপ ঘটনা তার আগে নিচে সিঁড়ির তলে একটা ছোট রুম আছে সেখান থেকে আয়সাকে নিয়ে আসো

নাঈমের চোখ দিয়ে অনেক পানি পড়ছে এখনো সে এটা ভেবে কষ্ট পাচ্ছে সেদিন যদি রাগের মাথায় শহড় না ছাড়তো তাইলে এই দিনটা দেখতে হতো না নাইম আয়সার কথা শুনে দৌড়ে নিচে গেল সেখানে গিয়ে দেখতে পেল সিঁড়ির নিচে সত্যি সত্যি একটা রুম নাইম রুমের দরজাটা খুলতেই অবাক হয়ে যায় 

........

প্রশ্ন : প্রথম তলায় তিনটা রুমেই কেন একই ঘড়ি পাওয়া গেল আর কেন একই সময়ে তাইলে কি নাইম আটকা পড়েছে এই রহস্যে আর তিনটা কঙ্কাল ই বা কাদের আর মিষ্টির সাথে কি ঘটেছিল সেইদিন নাইম রুমে গিয়ে কি এমন দেখলো যে অবাক হয়ে গেল নাইম কি আয়সাকে খুঁজে পাবে নাকি সেটা একটা মায়াজাল ছিল 😁😁


চলবে......

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।