ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০২) - নাঈম চৌধুরি

ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০১) - নাঈম চৌধুরি
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০২) - নাঈম চৌধুরি
ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০২) - নাঈম চৌধুরি


গল্পঃ ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য
লেখকঃ Nayeem Chowdhury
প্রকাশকালঃ ২০২২
অনলাইন প্রকাশিত
পর্বঃ ০২

১ম পর্বের পর থেকেঃ
একটু পর নাইম যেই না দরজা খুললো তখন দেখলো ঘড়ের ভিতর অনেক অন্ধকার মনে হচ্ছে অনেক দিন ধরে কেউ আশা যাওয়া করে না এইখানে নাইম তার পকেটে হাত দিয়ে মোবাইল খূজলো কিন্তু মোবাইল তার পকেটে নায় ভালো করে খোজার পর নাঈমের মনে পড়ে গেল যে গাড়িতে
মোবাইল টা রেখে এসেছে কারণ নাইম তাদের এই বাংলো বাড়িতে ৪ বছর আগে এসেছিল আর অল্প চিনতো তাই মোবাইলে গুগুলে সার্চ করে লোকেশন দেখে দেখে এসেছে তাই মোবাইল টা পড়ে নিতে খেয়াল ছিল না নাইম তখন বাইরে এসলো আর দেখলো বাইড়ে খুব অন্ধকার হয়ে এসেছে মনে হয় সে একটা নির্জন যায়গায় এসেছে নেই কোন লাইট নেই কোন চাঁদের আলো নাইম একটু এগিয়েই শুনতে পায় "মরার খুব ইচ্ছা তাইনা তোর " নাইম অনেক ভয় পেয়ে যায় কারণ এত অন্ধকার আর এই বাংলো বাড়িতে কেউ থাকার কথা নয় তার উপর এই মেয়েলি কন্ঠ টা কার নাইম বলল আপনি কে আমাকে একটু হেল্প করেন আমি আমার আয়সাকে খুঁজে পাচ্ছি না আর এই পুরানো বাড়িতে কোন ইলেকট্রেসিটি নেই কিন্তু কারো কোন শব্দ আসছে না

নাইম একটু ভয় পেয়ে যায় কোন উপায় না পেয়ে কোন রকম আন্দাজ করতে করতে গাড়ির কাছে যায় যেয়ে তার মোবাইল টা হাতে নেয় নিয়ে ফোনের উপড়ে একটা চাপ দিতেই দেখতে প্রায় রাত ১২:২১ মিনিট বাজে

নাইম রিতিমত অবাক হয়ে যায় কারণ তারা এখানে এসেছিল সন্ধ্যা ৭ টায় তাইলে এই অল্প সময়ের মাঝে কেমনে এত রাত হলো হয়তো আমার মোবাইলের টাইম টাই নষ্ট আর এখানে নির্জন তাই হয়তো এমন অন্ধকার
নাইম এইগুলো চিন্তা করে ফোনের লাইট জ্বালায় ওমনি নাঈমের সামনে একটা মেয়ে চলে আসে নাইম ভয় পেয়ে একটা চিৎকার দিয়ে ওঠে ওহহহ মাগোওওওও ভয়ে হাত থেকে ফোন পড়ে যায় আর

নাইম এর গলা দিয়ে কোন কথা বেড় হচ্ছে না নাইম মনে মনে আল্লাহকে ডাকতে থাকে আর এইভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর নাইম একটু সাহস পায় তারপর ধীরে ধীরে ফোনটা হাতে নিয়ে তুলে আর সামনে ধরে দেখতে পায় একটা কালো বিড়াল সেটা নাঈমের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে

নাইম একটু ছোট থেকে ই ভিতু তাই এবাড়ো ভয় পেয়ে গেল পিছন থেকে কেউ একজন বলতে লাগলো "যাস না এই বাড়িতে এই বাড়িতে গেলেই মারা পড়বি" নাইম পিছনে লাইট ধরে দেখে একটা বৃদ্ধ মহিলা চুল গুলো অনেক সাদা আর ফেকাশে চেহারা টা খুব কালো আর তার পরনে ছিল সাদা
একটা শাড়ি নাইম তার দিকে লাইট ধরে বলতে থাকলো কেন কি আছে এই বাড়িতে আর আমার আয়সায় বা কোথায় আর আপনি বা কে তখন সেই মহিলা টি বলতে লাগলো সে ফিরে এসেছে কেউ বাঁচতে পারবে না ও অনেক ভয়ংকর " নাইমের অনেক রাগ হলো আর বলতে লাগলো কে আসবে কে কাউকে বাঁচতে দিবে না কিসব আবল তাবল বলছেন মাথা ঠিক আছে আপনার দেখে তো পাগল পাগল মনে হচ্ছে তখন মহিলা টি বলতে লাগলো মি..... বলার আগেই পিছনে একটা বিড়াল ডাক দিলো আমি পিছনে তাকাতেই আহহহহহ বলে চিৎকার দিল সেই মহিলাটি আমি সামনে আবার

ঘোড়া মাএরই সেই মহিলা টি আর নেই আর অদ্ভুত ঘটনা হচ্ছে সেখানে অনেক রক্ত লেগে আছে সেটা দেখে নাইম অনেক ভয় পেয়ে যায় কপাল বেয়ে পানি পড়তে থাকে শরীরের লোম খাড়া হয়ে যায়

নাইম দেখলো সেই রক্ত টা এই পূরানো বাংলোর পিছনের দিকে গেছে কিন্তু নাইম সাহস পাচ্ছে না এগিয়ে যেতে কারণ নাইম কখনো এমন ঘটনার মুখোমুখি হয় নাই আর মূল কথা হচ্ছে নাইম ভূত পেত কে অনেক ভয় পাই নাইম একটা গভীর শ্বাস নিলো আর সাহস করে দেখার জন্য এগিয়ে গেল
পুতুল খেলা ( পর্বঃ ০১ )

কারণ ওই মহিলাটিকে বাঁচাতেই পারলে জানতে পারবে আয়সা কোথায় আর কে তাকে এমন করে ডাকে কে ফিড়ে এসেছে সব প্রশ্ন নাইম তার মোবাইলের লাইট নিয়ে এগোতে থাকলে ধীরে পায়ে যাচ্ছে নাইম মনের ভিতর অনেক ভয় তাও একটু সাহস পাচ্ছে এটা ভেবে যে আয়সাকে খুঁজে বের করতে হবে নাইম রক্ত অনুসরণ করতে করতে বাড়িটার পিছনের দিকটাতে চলে আসলে

কিন্তু সেখানে যেতেই নাইম দেখলো রক্তটা একটা গাছের নিচে গিয়ে থেমে গেছে আর গাছের নিচে অনেক রক্ত আর গাছটা অনেক ঝোপঝাড় দেখে মনে হচ্ছে কোন তেঁতুল গাছ হবে নাইম মোবাইলের লাইট টা নিচে ধরতেই তার কাঁধে কি জেন একটা পড়লো

নাইম হাত দিয়ে সেটা একটু ধরলো মনে হচ্ছে পানি জাতীয় কিছু এই ভেবে যখন হাতটা লাইটের আলোয় নিয়ে আসলো তখন দেখতে পেলো রক্ত নাইম ঘাবড়ে গেল গলা শুকিয়ে গেল তার কপাল বেড়ে ঘাম পড়তে লাগলো নাইম লাইট টা নিয়ে উপড়ে তুলতেই দেখতে পেল একটা বৃদ্ধ বয়স্ক মানুষ

গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলে আছে আর তার চোখ দুটো খোলা আর জিহ্বা বেড় করা আর একটা চোখ বেড় হওয়া নাইম এইটা দেখেই সেখানেই অজ্ঞান হয়ে গেল


অন্যদিকে.......
নাইমের আম্মু অনেক চিন্তা করছে পুলিশ কেও জানিয়েছে নাঈমের আব্বু কালকে দেশে ফিড়বে নাঈমের আম্মু অসুস্থ হয়ে পড়ছে শত হোক একটাই ছেলে কত স্বপ্ন তাদের আবার আয়সার আব্বু আম্মু ও অনেক চিন্তায় পড়ে গেছে তারাও পুলিশের কাছে রিপোর্ট লিখেছে কিন্তু অবাক

করার বিষয়ে হচ্ছে পুলিশ দুইটা কেস ই একদিনে পাইছে আর দুইজন ই নিখোঁজ তারা সন্দেহ করছে নাইম আয়সাকে কিডন্যাপ করছে আর আয়সার আব্বু আম্মু কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছে কে জানে কাল পএিকায় তার মেয়ের ধর্ষণ এর কথা আসে এটা ভেবে তারা কিছুতেই শান্ত হতে পাচ্ছে না

নাইম আর আয়সার ফোন এর কোন লোকেশন এই বাংলাদেশেই নেই দেখাচ্ছে আর মূল কথা পুলিশ সব থানায় বলে দিয়েছে আর ছবি দিয়ে দিয়েছে তাদের পুলিশ এমন কেস কখনো পায় নাই কারণ নিখোঁজ হলে কয়েকটা ছেলে আর একটা মেয়ে হতো কিন্তু এখনে একটা মেয়ে আর একটা ছেলে নিখোঁজ

পুলিশ নাইমদের কলেজে গিয়ে শুনতে পেল নাইম আয়সার পিছনে অনেক ঘুরতো পাগলের মত ভালোবাসতো এই কথা পুলিশ দুই পরিবার কে বলে দিলো আয়সা দের থেকে নাইমরা একটু বড় লোক ছিল আর নাঈমের আম্মু এটা ভেবে কান্না করছে যে আমার ছেলের মন খারাপ এর কারণ

তাইলে এই মেয়েই ছিল নাঈমের আম্মু একটা সিদ্ধান্ত নিল যে নাইম আর আয়সা ফিরে আসলে তাদের বিয়ে দিবে আর নিজের ছেলের হাসি মুখখানি সবসময় দেখবে


অন্যদিকে ....

নাঈমের জ্ঞান ফিরে এসেছে হালকা হালকা চোখ খুলতে মনের ভিতর এখনো সেই ভয়টা রয়েই গেছে নাইম মাথা টা কোন রকম মাটি থেকে তুলে উপড়ে দেখলো কোন লাশ নেই নাইম একটা স্চতির নিঃশ্বাস নিল কিন্তু নাঈমের শরীর থেকে কেমন জানি একটা গন্ধ বের হচ্ছে নাইম ফোনটা হাতে

নিয়েই চমকে যায় কারণ এখনো ১২:২১ বাজে এটা কিভাবে হতে পারে নাঈমের অনেক দামি ফোন কিকরে একই জায়গায় টাইম আটকে যেতে পারে নাইম এটা কাকতালীয় ভেবে ফোনের লাইট জ্বেলে নিজের দিকে ধরতে দেখতে পেলো নাঈমের পুরো শরীর রক্তাক্ত আর অনেক গাড়ো রক্ত

নাইম আবার ভয় পায় ভয়ে চিৎকার দিতে থাকে কেউ আছো এখানে আমাকে একটু হেল্প করো আমি আর পারছি পিল্জ কেউ হেল্প করো এটা বলে নাইম বসে পড়লো আর নাঈমের চোখ দিয়ে দুইফোটা পানি চলে আসলে এটা ভেবে যে এইতো সেদিন মারা যাবে আর আয়সা

আয়সার কথা মনে পড়তেই মনটা খারাপ হয়ে যায় যতহোক নাইম আয়সাকে অনেক ভালোবাসে রাগের বশে কোন জোড়েই না থাপ্পড় দিছে তাকে এইটা ভেবে নাইম নিজের হাত মাটিতে কিলাতে( ঘুসি ) লাগল নাইম মনে হয় পাগল হয়ে গেছে হাত থেকে অনেক রক্ত পড়ছে কিন্তু নাইম ওমনি মাটিতে নিজের হাত আঘাত করেই যাচ্ছে ............. হঠাৎ

নাইম আমি এখানে নিজেকে আর কষ্ট দিয়ো না এইদেখো তোমার আয়সা ফিরে এসেছে নাইম চোখ তুলে সামনে দেখতে পেলো একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে ফোনের লাইট টা দিয়ে দেখতে পেল আয়সা অনেক টাই দূরে নাইম নিজের চোখ মুছে কোন রকম উঠে দাঁড়িয়ে পড়লো
সামনে তাকিয়ে দেখে আয়সা হাত দুটো ফাঁক করে রেখেছে মনে হয় নাইমকে বলছে এসো প্রিয় তোমার সাথে বাহু জোড়া এক করে দেয় নাইম একটা হাসি দিয়ে দৌড়ে গেল আয়সাকে জড়িয়ে ধরতে নাইম এটা ভেবে খুশি হয়েছে যে আয়সার পিছনে এতো ঘুরছে তবুও কখনো আয়সা

তাকে স্পর্শ করতে দেয় নাই সেখানে আয়সা নিজে জড়িয়ে ধরার জন্য আকুতি করছে নাইম দৌড়ে গিয়ে যেইনা জড়িয়ে ধরেছে তখনই আয়সা সেখানে নেই নাইম তাল সামলাতে পারলো না পড়ে গিয়ে কিছুটা ঠোঁটের দিকে কেটে গেল নাইম নিজের অজান্তেই আবার অবাক হয়ে গেল এক নিমেষেই

মুখের হাসি উড়িয়ে গেল নাইম এটা ভৈবে আবার কষ্ট পেল যে তার আয়সাকে সে হাড়িয়ে ফেলছে নাইম আবার উঠে দাঁড়িয়ে পড়লো আর জোরে একটা চিৎকার দিল আয়সসসসসসসসসসসসসা


তুমি কোথায় আমি আর নিতে পারছিনা পিল্জ তুমি বেড়িয়ে আসো আর কে আছো এখানে পিল্জ

আমার আয়সাকে ছেড়ে দেয় আমি তোমার কাছে হাত জোড় করে ভিক্ষা চাচ্ছি হঠাৎ নাইম এর ঘোড ভেঙ্গে দিয়ে """" তোর আয়সা এই বাড়ির ভিতরে গিয়ে নিয়ে আয় যা " নাইম ভয়ে পেয়ে গেল আর বলল কে কে এখানে নাইম আশেপাশে তাকিয়ে দেখলো কেউ নেই হঠাৎ নাঈমের চোখ আটকে

যায় তার ছায়ার উপর কারণ সেখানে আরেকটা ছায়া রয়েছে যেটা নাঈমের টার থেকে অনেক ভিন্ন কারণ সেখানে একটা মেয়ে মানুষের ছায়া ছিল নাইম বুঝতে পারলো এটা উপড় থেকে নাইম লাইট টা ছাদের দিকে ধরতেই দেখে সেই দিনের সেই ছাদের মেয়েটাই আর মোবাইলের লাইট এর দ্বারা তার মুখটা দেখা যাচ্ছে না

নাইম বলতে লাগলো আপনি কে কি ক্ষতি করছি আপনার ছেড়ে দেন আমার আয়সাকে এই বলে আবার হাত জোড় করলো নাইম কিন্তু মেয়েটা কিছু বললো না বিকট শব্দে একটা হাসি দিয়ে নোখ দিয়ে দেখাচ্ছে দরজার দিকে নাইম বুঝতে পারলো নাইম কে ভিতড়ে যেতে বলছে নাইম কোন কথা

না বলে দরজার দিকে এগোতে থাকলো আর একটা হাসি দিল কারণ সে তার আয়সাকে ফিরে পাবে


নাইম দরজার কাছে আসতে দেখতে পেলো দরজায় একটা অনেক বড় তালা ঝুলিয়ে আছে নাইম আবার অবাক হয়ে যায় সাতপাঁচ না ভেবে একটা ইট খুঁজে এনে কয়েকটা বাড়ি দিতেই তালাটা খুলে
গেল আর দরজা টা অনেক বড় ছিল নাইম হাল্কা ধাক্কা দিতেই দরজা টা আপনাআপনি খুলে যায় আর দরজার একটা ভয়ানক শব্দ হয় যেটা শুনে নাইমূর বুকের ভিতর আবার ভয় হতে থাকলো হঠাৎ অনেক গুলো বাঁদর বেড়িয়ে আসলো নাইম অনেক ভয় পেয়ে গিয়ে বসে পড়লো নাইম আবার বুকে থুতু দিয়ে উঠে দাঁড়ালো আর ধীর পায়ে এগিয়ে যেতে থাকলো নাঈমের মনে অনেক প্রশ্ন

কিন্তু নাইম আয়সাকে খুঁজতে হবে এটা ভেবে সব চিন্তা বাদ দিয়ে নাইম একটু সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলো নাইম একটু এদিক ওদিক মোবাইলের লাইট টা দিয়ে এদিক ওদিক দেখতে থাকলো অনেক পুরানো কিন্তু তার জানামতে বাড়িটা এত ভয়ানক হওয়ায় কথা নয় হঠাৎ.......

নাইম একটা ছোট জিনিস এর সাথে ধাক্কা খায় নাইম তাড়াতাড়ি ফোনের লাইট ধরতেই দেখতে পেল একটা পুতুল বললে ভুল হবে সেখানে অনেক পুতুল আর অবাক করার বিষয় হচ্ছে সেখানে সব পুতুল গুলো হাওয়াই ভাসছে কোন কিছু দিয়ে বাঁধা নেয় আর নাইম পুতুল গুলো দেখতে থাকলো

হঠাৎ সব পুতুল গুলো থেকে রক্ত বের হতে লাগলো এখানে মোট ৭ টা পুতুল সব গুলো খুব ভয়ানক পুতুলের চোখ দুটো সিলাই করা আর সেই চোখ দিয়েই রক্ত বের হচ্ছে নাইম এতকিছু সহ্য করতে পারলো না অজ্ঞান হয়ে গেল নাইম ........................

প্রশ্ন: নাইম তো এসেছিল আয়সাকে ধর্ষণ করে বিয়ে করতে কিন্তু এখানে আয়সাই বা কোথায় গেল আর নাইম এই কোন রহস্যর মধ্যে পড়লো আর ওই বৃদ্ধ মহিটাটিই বা কোথায় গেল আর গাছের সাথে যে ফাঁসি দেওয়া লোকটাই বা কে আর মূল কথা ছাদের ওই মেয়েটাই বা কে আর নাইম কি পারবে এই রহস্য সমাধান করতে পারবে কি নিজেকে আর তার ভালোবাসা আয়সাকে বাঁচাতে 😥😥😈{alertInfo}


ভূতুড়ে বাংলো বাড়ি রহস্য (পর্ব-০৩) - নাঈম চৌধুরি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।