এম্বুলেন্স রহস্য ( পর্ব-১৭ )

এম্বুলেন্স রহস্য ( পর্ব-১৭ )
এম্বুলেন্স রহস্য ( পর্ব-১৭ )



গল্পঃ এম্বুলেন্স রহস্য
পর্বঃ-১৭
লেখকঃ রিয়াজ রাজ
প্রকাশকালঃ এপ্রিল-২০২৩
অনলাইন প্রকাশ
গল্পের বিভাগঃ রহস্য গল্প




----------------------------------

- এইজন্যই তো তোমাকে নির্বাচন করা। তুমি অভিনয় করো নি,তোমার ব্যবহার দেখেই তোমাকে আমরা নির্বাচন করেছি।

- তো আপনাদের মেয়ে কই। ওর একটা ছবি দেখান। ( রিয়াজের কথা শুনে জ্বীনটা হেসে বলে)

- কাল তোমার হসপিটালে তাকে পাঠাচ্ছি আমরা। তোমার কালকের ভাড়া তাকে নিয়েই হবে। দেখে নিও। আমাদের দায়িত্বটা শেষ হোক। এরপর আমরা সারা জীবনের জন্য তোমার আর ওর জীবন থেকে চলে যাবো।

রিয়াজ বৃদ্ধের কথা শুনে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বৃদ্ধ কথাটা বলে এম্বুলেন্সের পিছনে চলে যায়। রিয়াজ উনাকে ডাক দিয়ে বলে," ঐ মেয়েটির নাম কি। দেখতে কেমন"। কিন্তু বৃদ্ধের কোনো সাড়াশব্দ আসেনি। রিয়াজ একটু এগিয়ে এম্বুলেন্সের সামনে আসে। আর দেখে,বৃদ্ধ তো দূরের কথা,উনার ছায়াও নেই। এতে রিয়াজ অত বেশি অবাকও হয়নি। কারণটা রিয়াজ জানে,উনি জ্বীন। মাথার মধ্যে কাহিনীর গোলকধাঁধা ঘুরঘুর করলেও,ব্যাপারটাকে মাথা থেকে ঝাড়তে চায় রিয়াজ। যেহেতু কাল সকাল ব্যাতিত কোনো আপডেট পাবেনা,তা এই বিষয়ে ভেবেও লাভ নেই।

দরজার কাছে এসে রিয়াজ এম্বুলেন্সে উঠে,এম্বুলেন্স স্টার্ট করে পাশে তাকাতেই দেখে,বৃদ্ধ বসে আছে। রিয়াজ আচমকা উনাকে দেখে বলে," লুকুচুরি করছেন কেন। এইভাবে হুটহাট আসা যাওয়া করলে তো ভয়ে মারা যাবো"। রিয়াজের কথা শুনে বৃদ্ধ হেসে বলে," আমি তোমার ভবিষ্যৎ জানি। কালো ছায়াদের যারা ভয় পায়,তাদের সাথেই একদিন তোমার যুদ্ধ চলবে"। বৃদ্ধের কথা শুনে রিয়াজ উনার দিকে ভ্রু-কুচকে তাকায়। বৃদ্ধ আবার বলে," ভাব্বার কিছু নেই।হয়তো জন্ম তোমার বস্তিতে, আবার হতে পারে তুমি এম্বুলেন্স ড্রাইভার। কিন্তু তুমি এখনো জানোই না যে তুমি কি" রিয়াজ এইবার মুখ চালিয়ে বলে," মূলত আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন?"। রিয়াজের কথা শুনে বৃদ্ধ আবার হেসে বলে, " নিয়তিকে তো বিশ্বাস করো। তুমি কখনোই ভাবোনি যে তুমি এম্বুলেন্স ড্রাইভার হবে। আর না কখনো ভেবেছো যে আমার সাথে তোমার দেখা হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ আগেই থেকেই লেখা হয়ে থাকে।নিয়তিতে যা আছে,তা ঘটেই।নিয়তি তার নিয়মে চলে,যতই আমরা নিজেদের আড়াল করি। নিয়তির নিয়মে আমাদের আসতেই হয়। পার্থক্য শুধু এইটুকু,তোমরা মানুষরা জানোনা যে নিয়তিতে কি লেখা। তবে আমরা জানি সব। আবার এখানেও বাঁধা আছে।কারো ভবিষ্যৎ যদি পূর্বে কাওকে বলে দিই আমরা। তবে সেটি আমাদের নিয়ম ভঙ্গে পড়বে। জ্বীন জাতিতে এমন কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু হ্যাঁ,আমরা ইঙ্গিত দিতে পারি। কিছু ব্যাখ্যা উল্লেখ করতে পারি।তবে পুরোপুরি না।তোমার নিয়তিতে ছিলো আমাদের সাথে দেখা হবার।এবং সেটি হয়েছে। তোমার অপেক্ষাতেই ছিলাম আমরা। ঐ চাদরওয়ালা জ্বীনকে বন্দি করে এসেছি মাত্র।নিয়তিতে ওটাই ছিলো"। বৃদ্ধের কথাগুলা রিয়াজের এক কান দিয়ে ঢুকলেও,অন্য কান দিয়ে ফুরফুরিয়ে বের হতে থাকে। কথার ধাঁচ রিয়াজের কাচা মাথায় স্থগিত হতে পারছেনা। তবে বৃদ্ধের শেষ কথায় রিয়াজ বলে," নিয়তিতে ওটাই লেখা ছিলো মানে কোনটা"। রিয়াজের কথায় বৃদ্ধ একটি কাচের বোতল বের করে। এরপর সেটি রিয়াজের সামনে তুলে ধরে বলে," ভালোভাবে বোতলের ভিতরে তাকাও"। রিয়াজ বৃদ্ধের হাতে থাকা বোতলে নজর লাগিয়ে দেখে,সেই চাদরওয়ালা জ্বীনটা বোতলের ভিতর। আকারে অনেক ছোট,এবং সে বোতলের ভিতর ছটফট করছে। রিয়াজ অবাক হয়ে বলে," তারমানে আপনি তাকে বন্দি করে ফেলেছেন?"। বৃদ্ধ বোতল আবার নামিয়ে রিয়াজকে বলে," এইটাই নিয়তিতে ছিলো। এই বদ-জ্বীনের বন্দি হবার কারণ তুমিই ছিলে। জ্বীনটাকে বন্দি তো আমিই করবো,কিন্তু তোমার ইচ্ছায়। নিয়তির কাজ নিয়তি করেই নিলো। আর এইজন্যই এই বদ-জ্বীন তোমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। মনে করে দেখো,বাসায় সে তোমাকে মারতে এসেছিলো। কারণ সে জানতো,ওর মৃত্যু ( বন্দি) তোমার ইচ্ছেতে হবে। কিন্তু নিয়তিতে এইটা নেই যে তোমাকে সে মারবে।এইজন্য ঐ বাচ্চা ছেলেটা তোমাকে রক্ষা করেছে। যে বাচ্চাটির হত্যাকারীকে তুমি শাস্তি দিয়েছিলে। সেই বাচ্চাই তোমাকে বাঁচিয়েছিল। এরপর একের পর একভাবে এই বদ-জ্বীন তোমাকে আক্রমণ করে। আর তুমি কোনো না কোনো ভাবে বেঁচে যাচ্ছিলে। মূল কথা ওটাই,নিয়তি তার নিয়মে চলে। শেষমেশ দেখো,সে আজ বন্দি। আর এই বন্দি মানে ওর মৃত্যুর মতো। সে সারাজীবন জ্বীন রাজ্যে বন্দি থাকবে"। রিয়াজ বৃদ্ধের কথা যত শুনছে,ততই অবাক হচ্ছে। তারমানে শুরু থেকে এ অব্দি যা হচ্ছে তা পূর্বেই হবার কথা ছিলো। এদিকে বৃদ্ধ আবার বলে,"এম্বুলেন্স স্টার্ট দিয়েছো সেই কবে। এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে? নাকি সামনে আগাবে। আমি তোমার সাথেই আছি। আপাতত তোমাকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য"। রিয়াজ চিন্তায় বলদ হয়ে আর কোনো প্রশ্ন করেনি। সামনে তাকিয়ে এম্বুলেন্স চালানো শুরু করে। কিন্তু মাথায় একঝাক ভাবনা। রিয়াজ কিছু প্রশ্ন করার জন্য যখনি পাশে তাকায়। দেখে,সিটে কেও নেই। তারমানে বৃদ্ধ অদৃশ্য আছে।বেতাল হয়ে পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে রিয়াজ। এরপর এই ব্যাপারে ভাবতে ভাবতে,এম্বুলেন্স চালাতে থাকে।

সকাল ৭ টা।
রিয়াজ এম্বুলেন্স নিয়ে হসপিটালের সামনে আসে। এম্বুলেন্স রাস্তার পাশে রেখে রিয়াজ সোজা যায় চায়ের দোকানে। বাকি ড্রাইভার'রা ডিউটিতে চলে এসেছে। রিয়াজকে দেখে একজন বলে," আরে রিয়াজ ভাই। লং ড্রাইভ করে এসেছেন। কেমন ছিলো যাত্রা"। রিয়াজ হেসে হেসে দোকানের সিটে এসে বসে। এরপর চায়ের অর্ডার দিয়ে একটা সিগারেট ধরায়। আর ওদের উদ্দেশ্যে বলে," এই এম্বুলেন্সের রহস্য তো আমরা জানি। আমরা ড্রাইভার'রা হাজার ছায়ার আক্রমণে পড়ি। সবার রহস্য এক হলেও,আমারটা কিন্তু ভিন্ন ছিলো"। রিয়াজের কথা শুনে পাশের জন বলে," আপনার বিষয়টা আমরা মাঝে মাঝে ভাবনা করি। আপনি না বললেও,শাহরুখ আমাদের সবটা বলে। যেখানে আমরা মাসে একবার বা বছরে ২-৩ বার ওদের সামনে পড়ি। সেখানে আপনি প্রতিদিন কেনো ওদের সামনে পড়েন। আলাদা শত্রুতা আছে নাকি ওদের সাথে"। ড্রাইভারের কথা শেষ হতেই,দোকানি এসে রিয়াজের হাতে চায়ের কাঁপ দেয়।রিয়াজ কাঁপ হাতে নিয়ে এক চুমুক চা খায়। এরপর বলে," ছিলো। এখন নেই। এটি নাকি নিয়তির খেলা"। রিয়াজের কথায় সবাই রিয়াজের দিকে তাকায়। রিয়াজ সবার তাকানো দেখে আবার বলে," অবাক হবার কিছু নাই। আমি যেকোনো ভাবে জানলাম,আমাদের ভবিষ্যৎ নাকি আগে থেকে লেখা হয়।এবং আমার নিয়তিতে নাকি এইটাও আছে যে,আজ একটা মেয়ের সাথে আমার দেখা হবে। কিন্তু হাস্যকর এইটাই যে,আমি এখন বাসায় গিয়ে লম্বা একটা ঘুম দিবো। না ঘুমিয়ে মাথাটা ঝিম ধরে গেছে। ভবিষ্যৎ অবিশ্বাস করছিনা। যার মাধ্যমে জেনেছি,উনাকে বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু নিয়তির লেখাটা আমি বদলাবো। নিয়তির সাথে মশকরা করতে ইচ্ছে জাগলো আরকি"। রিয়াজের কথায় সব ড্রাইভার উচ্চধ্বনিতে হাসতে থাকে। যেনো সেরা একটা জোক্স শুনিয়ে দিলো। ঠিক তখনি একটা মেয়ে দিয়ে বলে," আপনার আর ভবিষ্যৎ বদলাতে হবেনা। এদিকে আসুন"।

মুখ থেকে চা ফসকে বের হয়ে যায় রিয়াজের। সব ড্রাইভার হা করে তাকিয়ে থাকে মেয়েটির দিকে। এতো সুন্দর আর মায়াবী চেহারার মেয়ে যেনো তারা আগে দেখেনি। রিয়াজ নিজেই মেয়েটিকে দেখে হা হয়ে যায়। হয়তো ভাবছেন,নিয়তি সঠিক সময়ে মেয়েটাকে উপস্থিত করেছে,এইজন্য সবাই থ হয়। ব্যাপারটা তেমন না। সামনে দাড়িয়ে থাকা মেয়েটির সৌন্দর্য দেখে সবাই থ হয়ে যায়। যেনো সবাই ভুলেই যায় যে,নিয়তি নামের কিছু একটা নিয়ে কথা হচ্ছিলো। সবাইকে এমন বোকাচন্দ্রের মতো তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটি এগিয়ে আসে। আর রিয়াজের হাত ধরে টান দিয়ে বলে," চলুন আমার সাথে"। রিয়াজের অন্য হাতে চায়ের কাঁপ ছিলো। মেয়েটি রিয়াজের হাত ধরতেই,চায়ের কাঁপ রাস্তায় পড়ে ভেঙ্গে যায়। সিগারেটও হাত থেকে পড়ে যায়। যেনো মেয়েটির সৌন্দর্যের ধ্যানে আটকে গেছে সে। শুধু সৌন্দর্য না,মেয়েটির স্পর্শ পেয়ে রিয়াজের সারা দেহ যেনো রোবট হয়ে গেছে। তাল রেখে বেতাল আরকি।

রিয়াজকে টেনে মেয়েটি রিয়াজের এম্বুলেন্সের কাছে আসে। রিয়াজ এখনো হা করে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলো। মেয়েটি রিয়াজের দিকে তাকিয়ে বলে,"

- আমার চাচা আমাকে এখানে পাঠিয়েছে। কাল রাতে নাকি আপনাকে সব বলেছে। বিয়ে কবে করবেন বলে। আমার সামনে SSC পরিক্ষা। পরিক্ষার আগে আমার ফ্যামিলির কাছে প্রস্তাব আনবেন না কিন্তু। একেবারে পরিক্ষার পর।

- আমি রাজি।
- কিসে
- বিয়ে করতে।
- মানে?
- বিয়েতে আমি রাজি।
- হ্যা,রাজি না থাকলেও কি করার। চাচা যেহেতু বলেছে আমার স্বামী আপনি হবেন। তো জ্বীন চাচার কথা অমান্য কিভাবে করবো।
- অম্যান্য করলেও আমি রাজি।
- হয়েছে হয়েছে,পড়াশুনা করেছেন কতদূর।
- আমি কলেজে পড়ি।
- কোন ইয়ারে।
-ভুলে গেছি। কাল বলবো।
- মানে?
- তোমাকে দেখে মাথা ঠিক নাই।
- আজাইরা। বয়স কত আপনার?
- ২১
- সে যাইহোক। আপনার বোকা চেহারাটা আমার ভালো লেগেছে। মাছুম হলেও মনের কথা সরাসরি বলতে পারেন। আমার মতোই। আজকে আমি যাই। আমার ক্লাস আছে। আবার বলি,আমার পরিক্ষার আগে কোনো প্রস্তাব পাঠাবেন না কিন্তু।
- আচ্ছা।
- ওকে বায়।
- তোমার নাম কি?
- ইসরাত।
- আচ্ছা।

কথাটা বলে ইসরাত চলে যায়। রিয়াজ হাবলা হয়ে মেয়েটির যাওয়া দেখছিলো। কিছুক্ষণ ওখানে দাঁড়িয়ে রিয়াজ দোকানের কাছে আসে।রিয়াজের মুখে একটা মুছকি হাসি।পুরো আলাভোলা হয়ে গেছে। ডিভাইস যেমন হ্যাং হয়,ঠিক তেমন। দোকানে ড্রাইভাররা রিয়াজকে এটা সেটা জিজ্ঞেস করে। রিয়াজ কোনো উত্তর না দিয়ে ওদের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। এরপর ১০ টাকা বিলের স্থানে একটা ১০০ টাকার নোট দোকানে দিয়ে বাড়ির দিকে হেটে চলে যাচ্ছে। দোকানিও বেকুব,টাকা বেশি কেন দিলো নিজেও জানেনা। হাটতে হাটতে রিয়াজ পকেট থেকে ফোন বের করে। এরপর কালাম ভাইকে কল দিয়ে বলে,"

- ভাই, চাকরির কাগজে আমার CV তে দেখলাম আমি SSC পাস। কেমনে হইলাম।
- হটাৎ এমন প্রশ্ন?
- বলেন না।
- ওটা ফেক সার্টিফিকেট।
- টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কেনা যায়?
- যায় বলেই তো কিনলাম।
- ঠিক আছে।SSC এর পর কোন ক্লাসে পড়ে মানুষ।
- ইন্টারে।কেনো?
- আমি উন্টারে ভর্তি হবো। রাখি।

কথাটা বলে রিয়াজ মুচকি হাসতে হাসতে বাসার দিকে চলে যায়।

একটি বন্ধ রুম,রুমের ঠিক মাঝে একটি মেয়ে বসে আছে। তার চুলগুলা ছেড়ে দেওয়া। সব চুল মেয়েটার মুখের উপর ঢেকে রাখা। মেয়েটির ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে আছে একটি শয়তান। শয়তানের দেহের উচ্চতা বিশাল। পুরো সিলিং এ শয়তানের মাথা লেগে আছে। মেয়েটি চুপচাপ নিচের দিকে তাকিয়ে বসে আছে। আউলাঝাউলা চুলে পুরো পাগলের মত লাগছে। এদিকে পিছনে থাকা শয়তানটার চেহারা ছিলো ভয়ানক। যেনো পুরো মুখ তার পুড়ে গেছে।শয়তান পিছন থেকে মেয়েটির দিকে লোভনীয় দৃষ্টিতে তাকায়। এরপর তার বিকৃতরূপ চেহারাটা নড়ে উঠে। মুহুর্তে শয়তানটা তার মুখ খোলে। একদম রবারের মতো তার মুখটা বড় হতে লাগলো। যেনো মেয়েটি পুরো তার মুখে ঢুকে যাবে। দেখতে দেখতে শয়তান এতো বড় হা করেছে,যা সাধারণ একজন মানুষ দেখলে, ভয়ে সেখানেই মারা যাবে। ধীরে ধীরে শয়তানটা তার মাথা নিচের দিকে নামায়। এরপর মেয়েটির মাথা বরাবর শয়তান তার মুখ এনে একটা লোভনীয় শব্দ ছাড়ে। মেয়েটি যেনো কিছুই জানেনা। সে নিস্তেজ হয়ে বসে রইলো। দেখতে দেখতে শয়তান মেয়েটির মাথা তার মুখের ভিতর প্রবেশ করাতে থাকে। মেয়েটির কোনো রিয়েকশন নেই। আস্তে আস্তে শয়তান মেয়েটিকে গিলতে শুরু করলো।

আচমকা লাফ মেরে উঠে রিয়াজ। কি ভয়ানক স্বপ্নটা ছিলো। রিয়াজের হাত পা কাঁপতে শুরু করে। কপালে ঘাম ঝরা শুরু হয়। বার বার চোখের সামনে,মেয়েটির মাথা গিলে খাওয়ার দৃশ্য ভাসছিলো রিয়াজের।



চলবে..........?



গল্প- #এম্বুলেন্স_রহস্য ( পর্ব-১৭)
লেখক- #রিয়াজ_রাজ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।