মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল | অধ্যায়-০১ঃ প্রতিভাবানদের ছেলেবেলা

মন দিয়েছি তোমার নামে (অন্তিম পর্ব)
মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল।
মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল।


{getToc} $title={সূচিপত্র দেখুন}


মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল।


বইঃ মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল।
অধ্যায়ঃ ০১
লেখকঃ অধ্যাপক মোঃ শহীদুল্লাহ
প্রকাশকঃ পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স
প্রকাশকালঃ একুশে বইমেলা, ২০০৬


প্রত্যেক শিক্ষার্থীই নিজের মধ্যে সুন্দর একটি ইচ্ছা পোষণ করেন। তা হল ফলাফল ভাল করার মাধ্যমে মেধাবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। অনেকে দিনরাত পরিশ্রম করেও পরীক্ষায় ভাল করতে পারে না । আবার অনেকে অল্প পড়েই পেয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য । কিন্তু কিভাবে ? এই বই আপনাকে সেই পথই দেখাবে । একই সাথে পড়াশোনার সব সমস্যা দূর করে দিন দিন আপনাকেও তুলে আনবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের তালিকায় ।
বাছাই – হেনরি সেলসার

প্রতিভাবানদের ছেলেবেলা ( অধ্যায়-০১ )
প্রতিভাবানদের ছেলেবেলা ( অধ্যায়-০১ )

এই বইয়ে-
  • তত্ত্বগত বিষয় ছাড়াও ব্যবহারিক চর্চার সূত্রগুলো সন্নিবেশিত হয়েছে।
  • শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানের পথ দেখানো হয়েছে।
  • শিক্ষাজীবনের সব ধরনের সমস্যাই আলোচনা করা হয়েছে।
  • সরল ও প্রাঞ্জল ভাষা, চমৎকার ইলাস্ট্রেশন ব্যবহার করা হয়েছে।
  • আপনারা সম্পুর্ন বইটি অধ্যায় অনুযায়ী পর্ব আকারে গল্পপাতায় পড়তে পারবেন।


অধ্যায়ঃ ০১
প্রতিভাবানদের ছেলেবেলা



বিশ্বখ্যাত প্রতিভাবানরা ছোটবেলায় কেমন ছিলেন ? কীভাবে তাঁরা তাঁদের জীবন শুরু করেছিলেন, যার জন্য পৃথিবীতে বিখ্যাত হয়ে আছেন? এঁদের সম্পর্কে এমন অনেক কিছুই হয়তো তোমাদের জানতে ইচ্ছে করে। তাঁদের অনেকের ছেলেবেলার গল্প শুনলে তোমাদের কল্পনাও হার মানবে। তোমরা অনেকেই হয়তো ভাবো তাঁরা বাল্যকালেও মেধাবী ছিলেন এবং মেধাই তাঁদের বিখ্যাত করেছে। “আমি মেধাবী ছাত্র নই, আমাকে দিয়ে কিছুই হবে না'— এ ধরনের ভাবনা ছাত্রজীবনে অনেকের মধ্যেই থাকে । এটি মারাত্মক ভুল একটি ধারণা। ছোটবেলায় দুর্বল ছাত্র ছিলেন এমন অনেকেই বড় হয়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন। যারা নিজেদের দুর্বল ছাত্র ভাব, তারা এ অধ্যায় পড়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে; বুঝতে পারবে চেষ্টা করলে তোমরাও একসময় মেধাবী হয়ে উঠবে ।
পারলে ঠেকাও ( পর্বঃ ০১ ) - দিশা মনি

টমাস এডিসন

ছোটবেলায় অত্যন্ত দুর্বল ছাত্র ছিল এমন অনেকেই বড় হয়ে বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছেন।
ছোটবেলায় অত্যন্ত দুর্বল ছাত্র ছিল এমন অনেকেই বড় হয়ে বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেছেন।

একদিন ৪ বছরের একটি বাচ্চা স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরল তার মাস্টার মশাইয়ের একটি ছোট চিঠি নিয়ে । মাস্টার মশাই তার মাকে লিখেছেন, “আপনার টমি এত বোকা যে তার পক্ষে লেখাপড়া শেখা সম্ভব নয়। তাকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে নিন।' বালকটির মা প্রতিজ্ঞা করলেন, 'আমি তাকে নিজেই পড়াব, কারণ আমার টমি বোকা নয়।' সেই বোকা টমিই পরবর্তীকালের অসাধারণ প্রতিভাধর বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন; এই বোকা টমিই পরবর্তীকালে গ্রামোফোন যন্ত্র এবং বৈদ্যুতিক বাল্‌ব আবিষ্কার করেন। বড় হয়ে এডিসন নিজেই বলেছিলেন, 'এখন আমি পাতার পর পাতা মুখস্থ রাখতে পারি। আমার এই ক্ষমতাটা যদি ছোটবেলায় থাকত!'
আবিষ্কার – জর্জ আর. আর. মার্টিন


আইনস্টাইন

কে বিশ্বাস করবে, শৈশব ও কৈশোরে আইনস্টাইনের স্মৃতিশক্তি খুবই দুর্বল ছিল। মাত্র দু'বছরের আপ্রাণ চেষ্টায় স্মৃতিশক্তির অসাধারণ উন্নয়ন ঘটিয়েছেন তিনি ।
কে বিশ্বাস করবে, শৈশব ও কৈশোরে আইনস্টাইনের স্মৃতিশক্তি খুবই দুর্বল ছিল। মাত্র দু'বছরের আপ্রাণ চেষ্টায় স্মৃতিশক্তির অসাধারণ উন্নয়ন ঘটিয়েছেন তিনি ।

বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে ছোটবেলায় বলা হতো গবেট। স্মৃতিশক্তির।  দুর্বলতার কারণে তার লেখাপড়া শুরু করতে করতেই নয় বছর পেরিয়ে যায়। স্কুলে ভর্তি হন অনেক দেরিতে। স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা দিতে।  গিয়ে প্রথমবার ফেল করেন; দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেন। দু'দুবার পরীক্ষা দিয়ে তাঁকে এন্ট্রাস পাস করতে হয়। গাধা ছাত্র।  হওয়ার কারণে তিনি বাবার শখের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারেন নি । বড় হয়ে চাকরির চেষ্টা করে বারবার ব্যর্থ হন । তাঁর স্মৃতিশক্তি এতই দুর্বল ছিল যে, ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে পারতেন না । স্মৃতিশক্তি নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন আইনস্টাইন। শুরু হয় স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা। মাত্র দু'বছরের চেষ্টায় স্মৃতিশক্তির অসাধারণ উন্নতি ঘটালেন। এর পরের ঘটনা সবারই জানা। তাঁর অক্লান্ত চেষ্টায় পরবর্তী ২০ বছরের মাথায় তিনি। পদার্থবিজ্ঞানে লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর।  ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন — ‘আমার ছোটবেলা ও বর্তমানের মাঝে তলনা করলেই আপনিই তা বুঝতে পারবেন ।
প্রাক্তন (পর্ব ০৯)

উড্রো উইলসন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে নয় বছর বয়স পর্যন্ত বর্ণমালাই শিখে শেষ করতে পারেন নি। পড়তে শেখায় লেগে গিয়েছিল আরো দুটি বছর। অথচ বড় হয়ে তিনি যে- কোনো বক্তৃতা একবার শুনে তা হুবহু মনে রাখতে পারতেন। ফলে পূর্ববর্তী বক্তার বক্তব্য খণ্ডন করতে তাঁকে কোনো অসুবিধায় পড়তে হতো না।


গুস্তাভ আইফেল

প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারটির ছবি কে না দেখেছ? এই আইফেল টাওয়ারের যিনি স্রষ্টা সেই গুস্তাভ আইফেলও প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন।


ইমাম গাজ্জালি

প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইমাম গাজ্জালির ছোটবেলায় স্মরণশক্তি একদম ছিল না। মনে না থাকার কারণে তিনি তার প্রয়োজনীয় কথা নোট করে রাখতেন। একদিনের এক ঘটনা — মরুভূমিতে গাজ্জালি ডাকাতের কবলে পড়েন। ডাকাত দল তার সর্বস্ব নিয়ে যায় । এমনকি তার নোট খাতাটিও। তিনি তখন ডাকাত দলের কাছ থেকে তার খাতাটি রক্ষার জন্য চেষ্টা করেন। গাজ্জালি ডাকাত দলের পেছনে পেছনে খাতার জন্য ছুটতে থাকেন এবং বলতে থাকেন, 'আমার সকল জ্ঞান তোমরা নিয়ে যেও না।' ডাকাত দলের সর্দার উত্তর দেয়, 'যে জ্ঞান ডাকাতে নিয়ে যেতে পারে, সে জ্ঞান দিয়ে কি হবে ?' ইমাম গাজ্জালি এরপর আর কোনো দিন কোনো কিছু খাতায় নোট করেন নি। পরবর্তীকালে তিনি কৌশলে অসাধারণ স্মৃতিশক্তির অধিকারী হয়ে ওঠেন । তাঁর রচিত বিশাল বিশাল গ্রন্থ তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ।


হোমার

গ্রিসের অন্ধ কবি হোমারের কথা আমরা সবাই জানি । তার স্মৃতিশক্তি বাল্যকালে ছিল অত্যন্ত দুর্বল। অন্ধ হওয়ার পর এক দোকানে বসে তিনি শ্রোতাদের ট্রয় যুদ্ধের কাহিনী আবৃত্তি করে শোনাতেন। পরবর্তীকালে তাঁর স্মৃতিশক্তি এতই প্রখর হয়েছিল যে, যে-কোনো কাহিনী তিনি স্মৃতিতে ধরে রাখতে পারতেন । তাঁর স্মৃতিতে ধরে রাখা কাহিনী থেকেই রচিত হয় ‘ইলিয়ড’ ও ‘ওডিসি' মহাকাব্য ।
চন্দ্রাবতী ( পর্ব ১১ )


অগাস্ত রদী

বিখ্যাত ভাস্কর অগাস্ত রদাকে ছোটবেলায় বলা হতো গবেট। তার স্মৃতিশক্তি এতই দুর্বল ছিল যে, স্কুলের শিক্ষকরা তাকে বলত ভুলো গবেট। অথচ পরবর্তীকালে নিজের চেষ্টায় তাঁর স্মৃতিশক্তির এতই উন্নতি হয়েছিল যে, অতীতের বহু ঘটনা তিনি হুবহু বলে দিতে পারতেন ।

তোমার স্মৃতিশক্তি কি খুব দুর্বল? তাহলে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কৌশলগুলো শিখে নাও এবং চেষ্টা চালাও।
তোমার স্মৃতিশক্তি কি খুব দুর্বল? তাহলে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর কৌশলগুলো শিখে নাও এবং চেষ্টা চালাও।
মরীচিকাময় ভালোবাসা পর্বঃ-১৬ (বোনাস পর্ব)

স্যামুয়েল জনসন

ড. স্যামুয়েল জনসন, যিনি ইংরেজি ভাষায় প্রথম ডিকশনারি প্রণেতা, ছোটবেলায় তার স্মরণশক্তি ছিল অত্যন্ত দুর্বল। পরবর্তীকালে তিনি স্মৃতিশক্তিকে বাড়াতে সক্ষম হন এবং ৭৮ বছর বয়স পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পেরেছিলেন।


জর্জ প্যাটন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মার্কিন সেনানায়ক জর্জ প্যাটনের ছোটবেলায়। স্মরণশক্তি ছিল খুবই দুর্বল। স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার কারণে তাঁকে একই ক্লাসে তিনবার থাকতে হয়েছে। অথচ পরবর্তীকালে তাঁর। স্মৃতিশক্তি হয়েছিল অসাধারণ ।


উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

শেক্সপিয়ার ক্লাশে প্রায়ই শিক্ষকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন না।
শেক্সপিয়ার ক্লাশে প্রায়ই শিক্ষকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন না।
আত্মা নাকি সে (পর্ব-০৬) - রিয়াজ রাজ


ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্কুলজীবনে শিক্ষকরা ক্লাসে পড়া জিজ্ঞেস করলে তিনি কিছুই উত্তর দিতে পারতেন না। শুধু মাথা নিচু করে থাকতেন। একবার এক শিক্ষক মন্তব্য করেছিলেন— এ ছেলের ভবিষ্যত অন্ধকার । যে ছেলে ক্লাসের পড়া পারে না, জীবনে সে কিছুই করতে পারবে না। অথচ পরবর্তীকালে তিনিই হন অসাধারণ প্রতিভাধর ।



অনেকের সম্পর্কে জানলে, এবার ভিন্ন একটি ঘটনার কথা বলি তোমাদের। জীববিজ্ঞানের এক শিক্ষক ছাত্রদের শেখাচ্ছিলেন, শুয়োপোকা কিভাবে প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হয়। তিনি ছাত্রদের বললেন যে পরবর্তী দু'ঘণ্টার মধ্যে শুঁয়োপোকার গুটি থেকে প্রজাপতি বেরিয়ে আসবে কিন্তু কেউ তাড়াহুড়া করে একে গুটি থেকে বের করার চেষ্টা করবে না। এই বলে তিনি ক্লাস থেকে চলে গেলেন। ছাত্ররা গুটির দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল । প্রজাপতি গুটি থেকে বের হওয়ার জন্য নড়েচড়ে চেষ্টা করছিল। একটি ছাত্র দয়াপরবশ হয়ে শিক্ষকের উপদেশ অমান্য করে গুটি ভেঙে একে বাইরে আসতে সাহায্য করল। একে বাইরে আসার জন্য আর বেশি চেষ্টা করতে হলো না। কিন্তু অল্প সময় পরেই প্রজাপতিটি মারা গেল। শিক্ষক ফিরে এলে অন্য ছাত্ররা তাঁকে ঘটনাটি জানাল। তিনি ব্যাখ্যা করে বোঝালেন যে, ওই ছাত্রটি সাহায্য করতে গিয়ে একে মেরে ফেলেছে। প্রাকৃতিক নিয়মেই গুটি থেকে বেরোনোর সময় তাকে সংগ্রাম করতে হয়, ফলে প্রজাপতির দুটি ডানা বেড়ে ওঠে এবং শক্ত হয়। বালকটি একে সংগ্রাম করতে না দিয়ে তাকে বাঁচবার শক্তি সংগ্রহ করতে দেয় নি। এই তত্ত্বটি মানুষের জীবনেও প্রয়োগ করা যেতে পারে। নিজস্ব চেষ্টা ছাড়া মানুষ জীবনে কিছুই লাভ করতে পারে না। মানুষকে তার আপন গতিতে চেষ্টা করা উচিত ।
ডিভোর্স - ফারাবী আল স্বাধীন


আইনস্টাইন, এডিসন, মাইকেল এঞ্জেলো, হোমার, স্যামুয়েল জনসন, জেনারেল জর্জ প্যাটন, ভাস্কর অগাস্ত রদাঁ, ইমাম গাজ্জালি, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার প্রমুখ মনীষীরা জন্মসূত্রে প্রখর স্মৃতিশক্তি পান নি । নিশ্চয়ই তারা তা অর্জন করেছিলেন। তুমিও তোমার চেষ্টার মাধ্যমে স্মরণশক্তিকে উন্নত করতে পার সহজেই। স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে তাদের মতো পৃথিবীতে বিখ্যাত না হতে পারলেও নিজের জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেই। জেনে রাখবে, সফল মানুষরা বিরাট কিছু করেন না। তারা সামান্য কাজকেই তাদের নিষ্ঠা ও সততা দিয়ে বৃহৎ করে তোলেন।

যে কাজে যতটা পরিশ্রম দরকার ঠিক ততটাই করতে হবে, তার কম বা বেশি নয়।
যে কাজে যতটা পরিশ্রম দরকার ঠিক ততটাই করতে হবে, তার কম বা বেশি নয়।
হৃদয়ের নিকুঞ্জ নীড়ে- পর্ব ১৫


প্রতিভাবানদের ছোটবেলার কথা জানার পর অবশ্যই তোমার ভুল ভেঙেছে । জেনেছ তোমার ছাত্রজীবনের মেমোরি তাদের চেয়ে খারাপ নয়। তারা মেমোরিকে উন্নত করতে পারলে তুমি কেন পারবে না ? অবশ্যই পারবে। তা হলে, বুঝতেই পারছ, ‘আমার স্মৃতিশক্তি দুর্বল, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না'— এসব ভাবার সুযোগ তোমার নেই । এটি নিজের সম্পর্কে ভুল ধারণা মাত্র। এখন প্রশ্ন হলো, স্মৃতিশক্তিকে কীভাবে উন্নত করা যায় ? বিভিন্ন উপায়ে তা করা যায়। এই স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করার কয়েকটি পদ্ধতি তোমাদের জন্য যুক্ত করা হয়েছে। সেটা পরে জানতে পারবে।
কোন কিছু ভুলে যাওয়ার জন্য মা-বাবা বা শিক্ষকরা কি তোমার উপর রেগে যান ? তুমি স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করতে আজই লেগে পড় ।
কোন কিছু ভুলে যাওয়ার জন্য মা-বাবা বা শিক্ষকরা কি তোমার উপর রেগে যান ? তুমি স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করতে আজই লেগে পড় ।

মেঘ বিয়োগের মৌসুম || তানিয়া মাহি (নীরু) - পর্ব-০২

সারসংক্ষেপ


ব্যক্তি

ছোটবেলার সমস্যা

অবদান

টমাস এডিসন

বোকা হওয়ার জন্য স্কুল থেকে ছাড়পত্র প্রদান।

গ্রামোফোন যন্ত্র এবং বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার।

আইনস্টাইন

স্মৃতিশক্তির দুর্বলতার জন্য দুবারের মাথায় পরীক্ষায় পাশ।

পদার্থবিজ্ঞানে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ধারণা প্রবর্তন।

উড্রো উইলসন

বর্ণমালা শিখতেই সময় লেগেছিল নয় বছর।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট, বক্তৃতা হুবহু মনে রাখতে পারতেন।

গুস্তাভ আইফেল

স্মৃতির দুর্বলতার কারণে প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফেল।

প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারের স্রষ্টা।

ইমাম গাজ্জালি

মনে না থাকার কারণে প্রয়োজনীয় কথা খাতায় নোট করতেন।

প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক। বিশাল বিশাল গ্রন্থপ্রণেতা।

হোমার

স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল ছিল।

বিশ্বখ্যাত দুই মহাকাব্য ইলিয়ড ও ওডিসি রচনা করেন।

অগাস্ত রঁদা

স্কুলের শিক্ষকরা বলত গবেট ।

বিখ্যাত ভাস্কর।

ড. স্যামুয়েল জনসন

স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল ছিল।

প্রথম ইংরেজি ডিকশনারি প্রণেতা।

জর্জ প্যাটন

স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত দুর্বল ছিল।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেনানায়ক।

উইলিয়াম শেক্সপিয়ার

ক্লাসে কোনো পড়ারই উত্তর দিতে পারতেন না।

বিশ্বের সেরা নাটকগুলো তিনিই রচনা করেছেন।

মরীচিকাময় ভালোবাসা পর্বঃ-১৮




মেধাবী ছাত্র হবার বৈজ্ঞানিক কৌশল | ২য় অধ্যায় পড়ুন
আজ এ পর্যন্তই পরবর্তি পর্বে আবার দেখা হচ্ছে।

ধারাবাহিকভাবে সম্পুর্ন বইটি পড়তে গল্পপাতার সাথে থাকুন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দয়া করে স্পাম করা থেকে বিরত থাকুন।